• ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

এবারের প্রতিপাদ্য ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ | আবাসন মেলায় থাকছে ১৫৭টি স্টল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ৬, ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সংবাদটি শেয়ার করুন....

বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে দিবসটির উদ্বোধন করেন তিনি। এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য—‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতসহ অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা হয়। পরে বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নির্মিত একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী একটি স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন।

অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের আগে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের প্রাঙ্গণে একটি স্বর্ণচাঁপা গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের লবিতে তিন দিনব্যাপী আবাসন মেলার আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ মেলায় রিহ্যাব, নির্মাণ খাত, ব্যাংকিং সেবা, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), স্থাপত্য অধিদপ্তর, গণপূর্ত অধিদপ্তর, নগর পরিকল্পনাসহ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার মোট ১৫৭টি স্টল রয়েছে।

আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর এবং জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেচনিয়াক।

নিরাপদ নগর ও মানসম্মত বাসস্থান বিষয়ে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর বিশ্ব বসতি দিবস পালন করা হয়। জাতিসংঘ ১৯৮৫ সালে অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবারকে বিশ্ব বসতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এর পরের বছর, ১৯৮৬ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

‘বাসস্থান আমার অধিকার’ প্রতিপাদ্য নিয়ে কেনিয়ার নাইরোবিতে প্রথমবারের মতো বিশ্ব বসতি দিবস পালিত হয়। এরপর থেকে প্রতিবছর ভিন্ন ভিন্ন প্রতিপাদ্য নিয়ে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।