সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, অপরাধীর কোনো ধর্ম নেই। যে অপরাধ করেছে, সে অপরাধী—সে যে ধর্মেরই হোক না কেন। সব ধর্মেরই মূল কথা হলো শান্তি, সাম্য ও মানবিক মূল্যবোধ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই সরকার দেশে প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। সরকার মুখে নয়, কাজে বিশ্বাসী। আজ মাগুরা জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত ‘মাগুরা জেলা মতুয়া সম্প্রদায়ের সম্মেলন ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, হরিচাঁদ ঠাকুর ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের হাত ধরে এই বাংলায় এক অভাবনীয় সামাজিক ও আধ্যাত্মিক জাগরণ শুরু হয়েছিল। এটি কেবল ধর্মীয় আন্দোলন ছিল না, ছিল কুসংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আর অধিকারবঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম। ‘হাতে কাম আর মুখে নাম’—এই দর্শনের মধ্য দিয়ে তিনি সমাজকে স্বাবলম্বী হওয়ার শক্তি জুগিয়েছেন। মাগুরা জেলার মতুয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র, সংস্কৃতি ও উৎসবের পৃষ্ঠপোষকতার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী ঘোষণা করেন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে খুব দ্রুতই এ জেলায় মতুয়া সংস্কৃতির বিকাশ ও সংরক্ষণের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী।
আরো উপস্থিত ছিলেন মাগুরা ১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মনোযার হোসেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী, মাগুরা জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বির আহমেদ, মাগুরা জেলা পরিষদের প্রশাসক আলী আহম্মদ এবং মাগুরা জেলার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মতুয়া সম্প্রদায়ের বর্তমান সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ ও গুরু পদ্মনাভ ঠাকুর। অন্যান্যের মধ্যে মাগুরা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, মতুয়া সম্প্রদায়ের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত হাজারো মতুয়াভক্ত অনুসারী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এম.জি.আর.নাছির মজুমদার, সম্পাদক : এস এম রফিকুল ইসলাম, যোগাযোগ ঠিকানা: সেঞ্চুরি সেন্টার: খ-২২৫, প্রগতি সরণি, মেরুল,বাড্ডা, ঢাকা-১২১২।, ফোন নং : +৮৮-০২-৫৫০৫৫০৪৭ | মোবাইল নং: ০১৭১৬৩৭১২৮৬
www: dailybhor.com
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ভোর