• ৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এলজিইডির এলকেএসএসকে বন্ধের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে কলকারখানা অধিদপ্তরের যুগ্ম-মহাপরিদর্শক মাহফুজুর রহমান ও একটি স্বার্থন্বেষী মহল

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত মার্চ ৩, ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ণ
এলজিইডির এলকেএসএসকে বন্ধের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে কলকারখানা অধিদপ্তরের যুগ্ম-মহাপরিদর্শক মাহফুজুর রহমান ও একটি স্বার্থন্বেষী মহল
সংবাদটি শেয়ার করুন....

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এলকেএসএস বন্ধের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের যুগ্ম- মহাপরিদর্শক মোঃ মাহফুজুর রহমান ভূইয়া ও একটি স্বার্থান্বেষী মহল। এলজিইডি সূত্রে জানা যায়,বাংলাদেশ সমবায় আইনের আওতায়

রেজিস্ট্রিকৃত একটি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান LKSS-HRC।
এই প্রতিষ্ঠানটি সমিতির সদস্যদের কল্যাণমূলক কাজের স্বার্থে সম্ভাব্য ক্ষেত্র ও সুযোগ সৃষ্টি করা উদ্দেশ্য।
LKSS-HRC যার মাধ্যমে সরকারি/ বেসরকারি  প্রতিষ্ঠানে সেবা- সরবরাহ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মানব সম্পদ উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মানবসম্পদ উন্নয়নে কাজ করে আসছে।
একটি স্বার্থন্বেষী মহল মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহযোগী প্রতিষ্ঠানটি বন্ধের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন বলে দাবী করেন এলজিইডির এলকে এসএস কর্তৃপক্ষ।  এলজিইডির এলকেএসএস সুত্রে জানা যায়, তথাকথিত উক্ত প্রতিষ্ঠানের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের যুগ্ম- মহা-পরিদর্শক (সাধারন অধিশাখা) মো: মাহফুজুর রহমান ভূইয়ার অদৃশ্যমান প্ররোচনায় হয়রানি মূলক তদন্ত চলছে।
যাহা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন এলকেএসএস ম্যানেজার।
এলকেএসএসে কর্মরতদের অভিযোগ জানা যায়, যুগ্ম- মহাপরিদর্শকের আওতাধীন একটি প্রতিষ্ঠানটির সাথে মোঃ মাহফুজুর রহমান ভূঁইয়ার গভীর সখ্যতা রয়েছে। বিগত আওয়ামী সরকারের সময়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি এলজিইডির বিভিন্ন প্রকল্পের জনবল নিয়োগের জন্য দরপত্র দাখিল করে সব ধরনের সুযোগ সুবিধা নিয়ে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে।
আওয়ামী সরকারের পতনের পরে উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন প্রকল্পে জনবল নিয়োগের দরপত্র দাখিল করে কাজ না পেয়ে LKSS-HRC প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্তের অভিযোগ করেছেন এলকেএসএস কর্তৃপক্ষ। এলজিইডির এলকেএসএস দায়িত্বশীল কর্মকর্তা অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন দরপত্রে সংযুক্ত অভিজ্ঞতার সনদ নকল।
এ প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ না পেয়ে LkSS-HRC এর বিরুদ্ধে  কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে সহ অন্যান্য সংস্থায় অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে আরো জানা যায়,  মো: মাহফুজুর রহমান ভূঁইয়া অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে এলকেএসএস এইচআরসি লিঃ নামে আরো একটি লাইসেন্স অনুমতি দেন।অথচ এলজিইডি কল্যান সমবায় সমিতির LKSS-HRC এর সাথে লিমিটেড সংযুক্ত করে নতুন কোম্পানী নামে লাইসেন্স অনুমতি দেয়া নীতি নৈতিকতা বিরোধী। এলকেএসএসে কর্মরতদের মতে ,মাহফুজুর রহমান ভূঁইয়া আওয়ামী সরকারের সুবিধাভোগী দোসর ও অসৎ উদ্দেশ্যে এলজিইডি কল্যান সমবায় সমিতির(এলকেএসএস) প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে হয়রানী করছে।কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের একাধিক সূত্রে যানা যায়,এই স্বার্থন্বেষী মহল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে লাইসেন্স বাতিলের ভয় দেখিয়ে ব্যক্তির স্বার্থ চরিতার্থে ব্যস্ত। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান, পরিদর্শন অধিদপ্তরের একাধিক সূত্র জানায়, আওয়ামী সরকারের সময়ে মোঃ মাহফুজুর রহমান ভূঁইয়া অবৈধ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বিপুল সম্পদের মালিক বনে যান। এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে যুগ্ম-মহাপরিদর্শক মোঃ মাহফুজুর রহমান ভূইয়া বলেন, আমি প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সংযুক্ত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে বিধি-বিধান অনুসরণ করে লাইসেন্স অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করি। অন্যদিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এলকেএসএস বন্ধের কোন প্রক্রিয়া আপাতত নেই। যা কিছু নীতি নৈতিকতা অবলম্বন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্মসংস্হান বৃদ্ধিকরনের মাধ্যমে LKSS-HRC এর অধীনে বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।