ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সামাজিক সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী সেক্রেটারি সংসদ সদস্য এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বলেন, ডেঙ্গু আজ কেবল একটি সাধারণ রোগ নয়, এটি আমাদের জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি সামাজিকভাবে প্রতিটি নাগরিককে এই মহামারীর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে। জামায়াতে ইসলামীর সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির মূল লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এই অভিযানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং নিয়মিত পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়ে জনসাধারণকে উদ্ধুদ্ধ করতে বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তিনি দলীয় নেতাকর্মীসহ এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে এই জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দিতে কেন্দ্র ঘোষিত সপ্তাহব্যাপী (৪ থেকে ১০ অক্টোবর) জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা সদর থানা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
খুলনা সদর থানা জামায়াতে ইসলামীর আমীর এস এম হাফিজুর রহমান সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আব্দুস সালামের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন থানা যুব বিভাগের সেক্রেটারি মামুর হাসান সাগর, ২৮ নং ওয়ার্ড আমীর সিরাজ বিন ইয়াকুব, ২২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আমানাত আলী হাওলাদার, ২৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ডালিম, ৩০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আলিমুল হক মিরাজ, ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মনির হোসেন লিটন, ২৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী বেলালুজ্জামান, ৩১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মাহমুদুল হাসান জিকু, ৩১ নং ওয়ার্ড আমীর নূর হোসাইন বাবুল, ২৩ নং ওয়ার্ড সেক্রেটারি মাওলানা সাব্বির তরফদার, ২২ নং ওয়ার্ড সেক্রেটারি মাওলানা মিজানুর রহমান, ২৪ নং ওয়ার্ড আমীর আব্দুল্লাহ আল মামুন, ২২ নং ওয়ার্ড সেক্রেটারি মনিরুল ইসলাম, জামায়াত নেতা আফসার উদ্দিন রতন, দাউদ আকুঞ্জি, নাসিম মোল্লা, প্রভাষক জাহিদ হোসেন, শহিদুল ইসলাম, স ম রমজান আলী, গাজী মাঈন উদ্দিন, আসাদুজ্জামান, হাফেজ মমতাজ উদ্দিন, হাফেজ আলী নেওয়াজ, মাসুদ পারভেজ, মিজানুর রহমান, আতিয়ার রহমান, আফুয়ার রহমান, জামিরুল ইসলাম, মো. সায়ের আলী প্রমুখ।
মহানগরী সেক্রেটারি আরও বলেন, আমাদের ঘরবাড়ি ও আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমেই কেবল মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব। বিশেষ করে জমে থাকা পানিই এডিস মশার প্রধান প্রজননক্ষেত্র। তাই ফুলের টব, অব্যবহৃত টায়ার, ডাবের খোসা কিংবা বাড়ির আশপাশে কোনো পাত্রে যেন পানি জমে থাকতে না পারে, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, এ জন্য প্রয়োজন সর্বস্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সচেতনতা। আমরা যদি নিজ নিজ বাড়ি-ঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখি, তাহলে এডিস মশার প্রজনন অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রত্যেক নাগরিককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
এডিস মশা কীভাবে এবং কোথায় জন্ম নেয়- এসব বিষয়ে নগরবাসীকে বিভিন্নভাবে সচেতন করা হচ্ছে জানিয়ে খুলনা-২ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘মানুষ যদি সচেতন হয়ে এই বিষয়গুলোতে নজর দেয় তাহলে এডিস মশা নির্মূল করা সম্ভব। আর তা না হলে নিয়ন্ত্রণ করে সহনীয় পর্যায়ে আনা অসম্ভব নয়।
নির্মাণাধীন বাসাবাড়িতে এডিস মশার প্রজনন বেশি হচ্ছে উল্লেখ মহানগরী জামায়াতের এই সেক্রেটারি বলেন, বাসাবাড়ির ছাদে, বেজমেন্টে অথবা ফুলের টবে জমানো স্বচ্ছ পানি নিয়মিত পরিস্কার করতে বা ফেলে দিতে না পারলে সেখানে লার্ভিসাইড অথবা কেরোসিন তেল ঢেলে বা স্প্রে করে এডিস মশার লার্ভা নষ্ট করতে হবে।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এম.জি.আর.নাছির মজুমদার, সম্পাদক : এস এম রফিকুল ইসলাম, যোগাযোগ ঠিকানা: সেঞ্চুরি সেন্টার: খ-২২৫, প্রগতি সরণি, মেরুল,বাড্ডা, ঢাকা-১২১২।, ফোন নং : +৮৮-০২-৫৫০৫৫০৪৭ | মোবাইল নং: ০১৭১৬৩৭১২৮৬
www: dailybhor.com
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ভোর