জনগুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রকল্প পরিচালক (পিডি) নিয়োগ এবং তাদের মধ্যে যথাযথভাবে দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতাভুক্ত অনুমোদিত ও প্রস্তাবিত নতুন প্রকল্পের অনুমোদন ও পর্যালোচনা নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এসব নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার পাশাপাশি বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।
ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশ উন্নয়নে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন খালগুলো নিয়মিত পরিষ্কার ও কার্যকর রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মীর শাহে আলম। একই সঙ্গে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিশোধিত পানি নদীতে নির্গমনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
সভায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সরকারের পরিকল্পনা ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন থাকতে হবে। ভবিষ্যতের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
তিনি বলেন, একই ধরনের প্রকল্পগুলো ক্লাস্টারভিত্তিকভাবে সমন্বয় করা হলে প্রকল্পের পুনরাবৃত্তি ও কাজের ওভারল্যাপ কমানো সম্ভব। এতে সরকারি সম্পদের অপচয় কমার পাশাপাশি প্রকল্পের কার্যকারিতাও বাড়বে।
জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজন হলে সম্পূরক প্রকল্প গ্রহণ করা যেতে পারে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনার কথাও বলেন তিনি।
প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্পের পরিধি পুনর্নির্ধারণ, রি-স্কোপিং ও একাধিক প্রকল্প একীভূত করার মাধ্যমে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের প্রধান কবির আহামদ, কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রধান মো. বাবুল মিঞা, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. জামানুর রহমান এবং ঢাকা ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন প্রকল্পের কর্মকর্তা ও ফোকাল পারসনরা সভায় অংশ নেন।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এম.জি.আর.নাছির মজুমদার, সম্পাদক : এস এম রফিকুল ইসলাম, যোগাযোগ ঠিকানা: সেঞ্চুরি সেন্টার: খ-২২৫, প্রগতি সরণি, মেরুল,বাড্ডা, ঢাকা-১২১২।, ফোন নং : +৮৮-০২-৫৫০৫৫০৪৭ | মোবাইল নং: ০১৭১৬৩৭১২৮৬
www: dailybhor.com
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ভোর