
বাংলাদেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে সুপরিচিত ও সম্মানিত নাম এম আব্দুল্লাহ। দীর্ঘদিন তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-এর নেতৃত্বে থেকে সাংবাদিকদের অধিকার আদায় ও কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পেশাগত দৃঢ়তা, ব্যক্তিগত অমায়িকতা এবং সাদা মনের মানুষ হিসেবে তিনি সহকর্মীদের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি নতুন এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠার পর থেকে একাধিক ব্যক্তি এ দায়িত্ব পালন করলেও এম আব্দুল্লাহর কর্মকাণ্ডকে অনেকেই ব্যতিক্রমধর্মী বলে মনে করছেন।
তার নেতৃত্বে ট্রাস্ট শুধু অনুদান প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; সাংবাদিক পরিবারের সার্বিক কল্যাণে বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে সাংবাদিকদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি চালু ও বিস্তৃত করা একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। গত বছর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সাংবাদিক সন্তানদের মধ্যে সর্বনিম্ন ২৫ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃত্তি প্রদান করা হয়। চলতি বছরেও বৃত্তির চেক প্রস্তুত রয়েছে এবং যেকোনো সময় তা বিতরণ করা হবে বলে জানা গেছে।
এছাড়া পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে প্রায় তিন হাজার সাংবাদিক পরিবারের জন্য এক মাসের ইফতার সামগ্রী উপহার প্রদান করা হয়েছে—যা মানবিক সহমর্মিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সংশ্লিষ্ট মহলে ধারণা করা হচ্ছে, ঈদ উপলক্ষে বিশেষ বোনাস বা আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হতে পারে।
প্রবীণ ও অসচ্ছল সাংবাদিকদের জন্য ভাতা চালুর উদ্যোগও তার নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি সাংবাদিকদের নানা সমস্যা নিজ উদ্যোগে খোঁজখবর নিয়ে দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা করেছেন—যা ইতোমধ্যে একটি ইতিবাচক নজির হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই প্রতিবেদন উপস্থাপনের উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা প্রাপ্তির কারণে প্রশংসা করা নয়। একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকেই এ তথ্যসমূহ তুলে ধরা হয়েছে। লেখক কোনো রাজনৈতিক দল—আওয়ামী লীগ বা বিএনপিসহ—কোনো সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
সাংবাদিক সমাজের সার্বিক কল্যাণে এমন মানবিক ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব অবশ্যই গণমাধ্যম অঙ্গনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে—এটাই