• ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৭:৫০ অপরাহ্ণ
মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত
সংবাদটি শেয়ার করুন....

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে ভারতের মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন প্রাঙ্গণে আজ মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদ্যাপন করা হয়। দিবসটি উদ্যাপনের অংশ হিসেবে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, অস্থায়ী শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বাণী পাঠ, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত, আলোচনাসভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
দিবসের শুরুতে মুম্বাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার ফারহানা আহমেদ চৌধুরী জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন। অমর ভাষা সংগীত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কী ভুলিতে পারি’ গানের সাথে অস্থায়ী শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর ভাষা শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় এবং তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রেরিত বাণী পাঠ করা হয়।
আলোচনাসভায় উপ-হাইকমিশনার তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও জাতীয় মননে মহান ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, কীভাবে এ জনপদের মানুষ নিজেদের অস্তিত্ব, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, স্বকীয়তা ও মর্যাদা রক্ষায় বারবার জীবন উৎসর্গ করেছে।
বক্তাগণ বাংলাদেশের মহান ভাষা সংগ্রামের ইতিহাস, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সর্বোপরি বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উদ্যাপনের লক্ষ্যে ইউনেস্কো কর্তৃক ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের ভাষা শহিদ দিবসকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’হিসেবে ঘোষণার প্রেক্ষাপটের ওপর আলোকপাত করেন।
দিবসটি উদ্যাপনের শেষভাগে উপ-হাইকমিশন প্রাঙ্গণে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষায় দেশাত্মবোধক সংগীত ও কবিতা পরিবেশন করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাঁদের পরিবারবর্গ এসময় উপস্থিত ছিলেন।