
কুমিল্লা জেলা স্হানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র সদ্য যোগদানকারী নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মফিজ উদ্দিন বলেন,সরকারি কোন কাজে যেন আর দুর্নীতি না হয়, সেটি নিশ্চিত করার লক্ষে কাজ করে যাবো। দুর্নীতির মূলোৎপাটন করে সেবা সহজ করার মাধ্যমে জনগণের সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি অর্জন করা এবং সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন,সাধারন জনগণের জন্য গ্রাম, বাজার, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের যাতায়াত সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করার লক্ষে এলজিইডি বিভিন্ন উন্নয়ন কর্ম বাস্তবায়ন করে করে থাকে । কৃষি, পানি সম্পদ, পল্লী,নগর উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে কুমিল্লা জেলার সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে পরিবহন ব্যয় হ্রাস এবং কৃষি ও অকৃষি পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে সুবিধা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। যা দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
এলজিইডি গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে দেশের ঐতিহ্যের স্মারক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর সঙ্গে মিশে রয়েছে এলজিইডিতে কর্মরত প্রতিটি কর্মকর্তা- কর্মচারীদের মেধা, শ্রম ও আন্তরিকতা।এলজিইডির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হলেও একজন নাগরিক হিসেবে সরকারি কাজের পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে।
কুমিল্লা জেলা এলজিইডিকে জনবান্ধব উন্নয়নমুখী দূর্নীতিমুক্ত সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবো। নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন,স্হানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা এবং প্রধান প্রকৌশলীর নির্দেশ ও পরামর্শে দেশের চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে কুমিল্লা জেলা এলজিইডির প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার তাগিদ দেয়া হবে।
দেশের চলমান উন্নয়ন কাজে যেসব ঠিকাদার গুণগতমান ও টেকসই বজায় না রেখে কাজ খারাপ করবে এবং সঠিক সময়ে কাজ করবে না- তাদের শুধু কালো তালিকাভুক্ত নয়, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।পাশাপাশি ঠিকাদারদের কাজ করতে কোথায় সমস্যা সৃষ্টি হয় সেই বিষয়গুলো ঠিকাদারদের সাথে সমন্বয় করে কাজের গুণগতমান নিশ্চিত করার লক্ষে কাজ করবো।
নাগরিক সেবা সুনিশ্চিত করা এবং সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আনতে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে থাকা সকলের সততা ও আন্তরিকতা অত্যন্ত জরুরী। সরকার নানামুখী সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধান প্রকৌশলী মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় আমরা সকলে গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে সততার সহিত কাজ করে যাবো।