• ২৯শে আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ উন্নত ও সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে — মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত আগস্ট ২৮, ২০২৫, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ উন্নত ও সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে — মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন

ছবি:: মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক ঢাকা মহানগর উত্তর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল

সংবাদটি শেয়ার করুন....

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রণীত ৩১ দফা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি অনন্য মডেল এবং উন্নত-সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন।

সম্প্রতি দৈনিক ভোরের সম্পাদক এস এম রফিকুল ইসলামের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “৩১ দফার মধ্যে সর্বদলীয় সরকার গঠন, দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে না পারা এবং দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যারা আত্মাহুতি দিয়েছেন বা সম্পৃক্ত ছিলেন, তাদের স্মরণে ৫ আগস্টের প্রেক্ষাপট ধারণ করে একটি আলাদা মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর বা পরিদপ্তর গঠন করে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।”

মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন আরও বলেন, যুবসমাজের জন্য বেকার ভাতা প্রদান এবং কৃষকদের পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি জানান, বিএনপিতে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটাভুটির মাধ্যমে ওয়ার্ডসহ নগর কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রাজনৈতিক ক্যারিয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রনেতা হিসেবে শুরু করে এফ রহমান হলের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন তিনি। দক্ষিণখানের মোল্লা বাড়ির সন্তান এই নেতা বৃহত্তর উত্তরার ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে রাজনীতি শুরু করেন। পরবর্তীতে বিমানবন্দর থানা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি মহানগর উত্তর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক।

স্থানীয়দের মতে, স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে কঠোর সমালোচক ও জনপ্রিয় বক্তা হিসেবে সেগুনের ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তিনি বাস্তবধর্মী বক্তব্যের জন্য নগর নেতাদের কাছেও সুপরিচিত। গত এক বছরে ভিন্নধারার বক্তৃতা কৌশলে সাধারণ মানুষের মন জয় করেছেন।

রাজনৈতিক যোগ্যতা নিয়ে স্থানীয়রা মনে করেন, এবারের নির্বাচনে যদি তিনি ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন পান, তবে ঢাকা-১৮ আসনে তার জনপ্রিয়তা ও সামাজিক প্রভাব নির্বাচনে বিশেষ সুবিধা এনে দিতে পারে।

তিনি বলেন, “আমি ব্যক্তিস্তুতির রাজনীতি করি না। আমি শুধু চাই, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান যদি আমাকে প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করেন এবং ধানের শীষ প্রতীক দেন, তবে ঢাকা-১৮ আসনটি হবে বিএনপির সর্বোচ্চ ভোটের আসন।”

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ সদস্যের প্রধান কাজ আইন প্রণয়ন। কিন্তু গত ১৫ বছরে আমরা দেখেছি শাসকগোষ্ঠী লুটপাট ও অযাচিত হস্তক্ষেপে ব্যস্ত থেকেছে। আমি নির্বাচিত হলে প্রশাসনকে স্বচ্ছ ও সততার ভিত্তিতে পরিচালনার চেষ্টা করব।

তিনি আরও বলেন, “হকার সমস্যার স্থায়ী সমাধানে পূর্ণবাসন কার্যক্রম নিতে হবে। যানজট নিরসনে যৌথ উদ্যোগে কাজ করা হবে। সন্ত্রাস, মাদক, কিশোর গ্যাং ও ইভটিজিং প্রতিরোধে পরিবার, অভিভাবক ও সমাজকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।”