বিতর্কিত মডেল ও মিস আর্থ ২০২০ মেঘনা আলম জানিয়েছেন, গোয়েন্দা পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় বলেছিল যে, বাংলাদেশকে বিশ্বে একমাত্র সাকিব আল হাসানই ব্র্যান্ডিং করছেন। নিজের এক ফেসবুক পোস্টে এমন দাবি করেন আলোচিত এই মডেল।
তিনি উল্লেখ করেন, দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদের সময় ডিবি কর্মকর্তারা তাকে প্রশ্ন করেন, মিস বাংলাদেশ অর্গানাইজেশন আসলে কী করে এবং কেন সরকারি সংস্থা, ডিপ্লোম্যাটিক প্ল্যাটফর্ম ও দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ রাখে?
মেঘনা আলম জানান, তিনি তখন উত্তর দেন যে ৮ বছর বয়স থেকে বহুসাংস্কৃতিক পরিবেশে কাজ করার পাশাপাশি বিদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতায় তিনি বুঝেছেন—বিশ্ববাসী হয় বাংলাদেশকে চিনেই না, নয়তো কেবল দারিদ্র্য, বন্যা, ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদ ও পিছিয়ে পড়া দেশের ভাবমূর্তি দেখেন। অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশ সবসময় ভারতের নিচে অবস্থান করছে।
কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। লন্ডনের বেশিরভাগ ‘ইন্ডিয়ান’ রেস্টুরেন্ট আসলে বাংলাদেশিদের মালিকানাধীন, বিশ্বের বড় ফ্যাশন ব্র্যান্ডের পোশাক উৎপাদিত হয় বাংলাদেশে, আর আমাদের সংস্কৃতিতে রয়েছে ফ্যাশন, গ্ল্যামার, সৌন্দর্য, আধ্যাত্মিকতা, খাদ্য ও সম্প্রীতির মিশেল। তিনি আরও বলেন, আমাদের মানুষ বহুভাষিক, উদ্যোক্তা ও অভিযোজনক্ষম। তাই তার কাজ হলো বাংলাদেশকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা—পজিটিভ রিব্র্যান্ডিং করা, করুণার জায়গা থেকে নয় বরং সমান মর্যাদার দেশ হিসেবে।
তিনি দাবি করেন, তিনি এক ধরনের ‘অল্টার-ডিপ্লোম্যাসি’ পরিচালনা করছেন, যা এসডিজি-সমন্বিত নারী নেতৃত্বের প্ল্যাটফর্ম।
মেঘনার ভাষ্য অনুযায়ী, ডিবি তার বক্তব্য শোনার পর বলে—এসব অর্থহীন, কারণ একমাত্র সাকিব আল হাসানই বিশ্বে বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করছেন। তার করার কিছু নেই, কারণ বাংলাদেশের সব ব্র্যান্ডিং ইতোমধ্যেই সাকিব করেছেন। পুরো বিশ্ব ওকেই চেনে, এটুকুই যথেষ্ট।
মেঘনা লেখেন, তখন তিনি মনে করেছিলেন—যদি আমেরিকাকে বলা হয় সিলিকন ভ্যালির দরকার নেই, কারণ বিয়ন্সে আছে, কিংবা ফ্রান্সকে বলা হয় ডিপ্লোম্যাসি লাগবে না, কারণ এমবাপ্পে আছে—তাহলে কেমন লাগবে?
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এম.জি.আর.নাছির মজুমদার, সম্পাদক : এস এম রফিকুল ইসলাম, যোগাযোগ ঠিকানা: সেঞ্চুরি সেন্টার: খ-২২৫, প্রগতি সরণি, মেরুল,বাড্ডা, ঢাকা-১২১২।, ফোন নং : +৮৮-০২-৫৫০৫৫০৪৭ | মোবাইল নং: ০১৭১৬৩৭১২৮৬
www: dailybhor.com
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ভোর