
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাসপাতাল এলাকা ও আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের সামনে সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন। হাসপাতালের মূল ফটক ও আশপাশের এলাকায় ব্যারিকেড বসিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে বহু বিএনপি নেতাকর্মী হাসপাতাল চত্বরে প্রবেশের চেষ্টা করেন, তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে পুলিশ তাদের ভেতরে ঢুকতে দেয়নি। হাসপাতালের সামনে আবেগঘন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং অনেককে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। এর আগে মঙ্গলবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৮০ বছর। দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। গত ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাঁকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার উদ্যোগ থাকলেও শারীরিক অবস্থা অনুকূলে না থাকায় তা সম্ভব হয়নি।