এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার: বিমান মন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ৭, ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ণ
সংবাদটি শেয়ার করুন....
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, বাংলাদেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগ ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিমান চলাচল, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়ন এবং দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
লুফথানসাকে বিশ্বের প্রখ্যাত এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বাংলাদেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় মেইনটেনেন্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল (এমআরও) স্থাপনের ক্ষেত্রে লুফথানসার বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে দেশে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতেও লুফথানসা বিমানের সঙ্গে কাজ করতে পারে।
তিনি বলেন, ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশে আসা কার্গোর ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আরোপিত হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল (এইচআরসিএম) স্ট্যাটাস বহাল রয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এ বিষয়ে সব পর্যায়ের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া নিরাপত্তা অডিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯০ শতাংশের বেশি রেটিং অর্জন করেছে। তাই এইচআরসিএম স্ট্যাটাস প্রত্যাহারের বিষয়ে জার্মানির সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে সরকার।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য ১০টি এয়ারবাস কেনার চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। তবে এয়ারবাসের সরবরাহের সময় এগিয়ে আনা জরুরি।
তিনি ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের সরবরাহ শুরু করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও জার্মানির বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।