• ২৭শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৩ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গরীবের বন্ধু মোজাম্মেল হক সবার দোয়া চেয়েছেন

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশিত জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ২০:৪৭ অপরাহ্ণ
গরীবের বন্ধু মোজাম্মেল হক সবার দোয়া চেয়েছেন
সংবাদটি শেয়ার করুন....

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট দানশীল ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল সদর–৫ আসন থেকে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার নির্বাচনী প্রতীক নাঙল।

আলহাজ্ব মোজাম্মেল হক ১৯৯০ সাল থেকে সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি টাঙ্গাইল পৌরসভার একজন নির্বাচিত কাউন্সিলর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সে সময়ে পৌর এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
টাঙ্গাইল জেলার রাজনীতিতে তিনি একজন ব্যতিক্রমী ও জনবান্ধব মানুষ হিসেবে পরিচিত। সাদা মনের এই মানুষটি সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কেউ সহযোগিতার আশায় তার দ্বারস্থ হলে তিনি খালি হাতে ফিরিয়েছেন—এমন নজির খুব কমই আছে। বর্তমান সমাজে যেখানে রাজনীতিকে অনেকেই লুটপাট বা আত্মসাতের মাধ্যম হিসেবে দেখেন, সেখানে মোজাম্মেল হক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সামাজিক উন্নয়নে তার অবদান সর্বজনবিদিত। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, এতিমখানা এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তিনি দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক ও নৈতিক সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। এখনো তার সহায়তায় টাঙ্গাইলের বিভিন্ন মসজিদ ও মাদ্রাসার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এর আগে তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে একাধিকবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও জয়লাভ করতে পারেননি। তার সমর্থকদের দাবি, জনগণের ভোটে তিনি এগিয়ে থাকলেও নানা অনিয়মের মাধ্যমে ফলাফল পাল্টে দেওয়া হয়েছে। তবে এসব প্রতিবন্ধকতার পরও তিনি কখনো হতাশ হননি এবং জনগণের ওপর আস্থা রেখেই রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন।
আসন্ন নির্বাচনে তিনি ভোটারদের কাছে বিনীত অনুরোধ জানিয়ে বলেছেন,
“আমাকে একবার সুযোগ দিন। আমি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মানুষের জন্য আজীবন কাজ করে যেতে চাই।”
মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে আলহাজ্ব মোজাম্মেল হক বলেন,
“জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আমার একমাত্র চাওয়া—মানুষের জন্য আরও ভালো কিছু করা। আমার পাওয়ার কিছু নেই। আমার পৈত্রিক সম্পত্তি ও যা কিছু আছে, তা থেকেই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা ও অভ্যাস আমার। প্রিয় ভোটারদের কাছে আমার প্রত্যাশা, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নাঙল মার্কায় একটি ভোট দিয়ে আমাকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ করে দেবেন।”
তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।