
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি মন্তব্য করেছেন, বিভিন্ন কৌশলে নির্বাচনী প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীর পরিকল্পনা সারা দেশেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা সদরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রতিযোগিতায় পুরনো নানা পদ্ধতি ও কৌশল আবারও প্রয়োগ করা হচ্ছে। জনগণের ভোটের ওপর আস্থা রাখার পরিবর্তে কিছু দল বিভিন্ন ধরনের নির্বাচনী কৌশলের ওপর বেশি নির্ভর করছে। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের এমন পরিকল্পনার আলামত দেশজুড়ে দেখা যাচ্ছে। বাঞ্ছারামপুরেও এর বিভিন্ন লক্ষণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, সারাদেশে সুপরিকল্পিতভাবে নির্বাচনী প্রভাব বিস্তারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুপস্থিত ভোটারদের হয়ে ভোট দেওয়া, কালি মোছার ওষুধ ব্যবহার, একই ব্যক্তিকে একাধিকবার ভোট দেওয়ানো, কেন্দ্রের ভেতরে ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং সেগুলো প্রচার করে ভোটারদের নিরুৎসাহিত করার মতো কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।
জোনায়েদ সাকি বলেন, প্রশাসন যদি কোনো একটি দলের পক্ষে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করে, তাহলে অনেক অনিয়ম উপেক্ষিত থেকে যেতে পারে। জাল ভোট প্রদান, কেন্দ্র দখলের চেষ্টা এবং কালো টাকার ব্যবহার নিয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে বলেও তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদি হাসান পলাশ, নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেকসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।