• ১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৯ দেশের নাগরিকদের গ্রিনকার্ড-নাগরিকত্ব দেওয়া বন্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৩, ২০২৫, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
১৯ দেশের নাগরিকদের গ্রিনকার্ড-নাগরিকত্ব দেওয়া বন্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র
সংবাদটি শেয়ার করুন....

ইউরোপের বাইরে থাকা ১৯টি দেশের নাগরিকদের সব অভিবাসন আবেদন স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন, যার মধ্যে রয়েছে গ্রিন কার্ড এবং ন্যাশনালাইজেশন (নাগরিকত্ব) প্রক্রিয়া। জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার উদ্বেগকে সামনে রেখে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তের আওতাধীন দেশগুলোর ওপর জুনে আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলেও নতুন নীতিতে আরও কঠোরতা আনা হয়েছে।

তালিকাভুক্ত দেশগুলো হলো আফগানিস্তান, সোমালিয়া, বার্মা, চাড, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, এরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সুদান, ইয়েমেন এবং বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা। নীতিতে বলা হয়েছে, স্থগিত থাকা আবেদনগুলো পুনঃপর্যালোচনা বাধ্যতামূলক হবে এবং প্রয়োজনে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার বা পুনরায় সাক্ষাৎকার দিতে হতে পারে। নতুন নীতির ব্যাখ্যায় সরকারি স্মারকে ওয়াশিংটনে মার্কিন ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের ওপর আফগান নাগরিকের হামলার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে একজন নিহত এবং আরেকজন গুরুতর আহত হন। পাশাপাশি সোমালিয়ার নাগরিকদের বিরুদ্ধেও প্রশাসন কড়া ভাষা ব্যবহার করেছে।

আমেরিকান ইমিগ্রেশন লইয়ারস অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত দেশের নাগরিকদের ন্যাশনালাইজেশন অনুষ্ঠান, সাক্ষাৎকার এবং স্ট্যাটাস পরিবর্তনের সাক্ষাৎকার বাতিল করা হয়েছে। এ বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে ট্রাম্প অভিবাসন আইন প্রয়োগে আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছেন; তিনি ফেডারেল এজেন্ট মোতায়েন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বড় শহরগুলোতে এবং যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এত দিন অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কারে গুরুত্ব দিলেও এবার বৈধ অভিবাসন কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে বৈধ অভিবাসন সীমিত করতেই প্রশাসন জোর দিচ্ছে এবং এর জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নীতিকে দায়ী করা হচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স।

আরো পড়ুন

দৈনিক ভোর
×
Loading...