• ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ২২:৫০ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
সংবাদটি শেয়ার করুন....

আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হাফেজদের সাফল্য।
সৌদি আরবে ১৩৩টি দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে পুরস্কার অর্জন করা চার হাফেজকে সংবর্ধনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশের মেধাবী সন্তানদের উৎসাহ ও সঠিক মূল্যায়ন করা গেলে এর সুফল পাবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, উপকৃত হবে দেশ ও দেশের মানুষ।

সৌদি আরবে গত আগস্টে অনুষ্ঠিত হয় ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতা।

বিশ্বের ১৩৩টি দেশের প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণের এই আয়োজনে বাংলাদেশের চার হাফেজ অর্জন করেন উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

১৫ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া।

একই বিভাগে ৩০ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াতে তৃতীয় হন হাফেজ শেখ মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আশরাফী।

এ ছাড়া ১৫ পারা বিভাগে হাফেজা রাবেতা বিনতে রমজান এবং ৩০ পারা বিভাগে হাফেজা মুসফিরা বিনতে মাহমুদ তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় হাফেজদের অর্জন শুধু তাদের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি বাংলাদেশের মুসলমানদেরও অর্জন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সন্তানরা মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে ভালো কিছু অর্জন করলে সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে সেই অর্জনের স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করবে।

অনুষ্ঠানে হাফেজদের শিক্ষকরা মাদ্রাসা শিক্ষার বিভিন্ন সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।

জবাবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যাগুলোর সমাধানের সম্ভাব্য পথ খোঁজার আশ্বাস দেন তিনি।

ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশের ছেলেমেয়েরা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নিজেদের, দেশের এবং দেশের মানুষের জন্য সম্মান ও গৌরব বয়ে আনুক—এটাই সরকারের প্রত্যাশা।

এ সময় দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠা ও পরিবর্তনের লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কাজের ধরন ভিন্ন হলেও লক্ষ্য এক—দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা এবং মানুষকে ভালোভাবে বাঁচার সুযোগ তৈরি করা।

অনুষ্ঠানের শেষে বিজয়ী হাফেজদের বই উপহার দেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে প্রতিযোগিতায় যে সূরাগুলো তিলাওয়াত করে তারা পুরস্কার অর্জন করেছেন, সেসব সূরার আয়াতও তাদের কণ্ঠে শোনেন তিনি।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের হাফেজদের এই সাফল্য কোরআন শিক্ষার পাশাপাশি দেশের জন্যও বয়ে এনেছে নতুন সম্মান।