• ২রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইবিতে কয়েক দফা সংঘর্ষের পর আইসিটি বিভাগের সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ১, ২০২৬, ২২:০০ অপরাহ্ণ
ইবিতে কয়েক দফা সংঘর্ষের পর আইসিটি বিভাগের সংবাদ সম্মেলন
সংবাদটি শেয়ার করুন....

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ডাবল ডেকার বাসে হাতাহাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলা ও ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বিভিন্ন দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৬ টায় বিভাগের করিডোরে এ সংবাদ সম্মেলন করে তারা। এসময় বিভাগটির অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফের সংঘর্ষের ঘটনায় আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. শরিফুল ইসলাম ও শিক্ষার্থী আবু সাইদ আহত হন। এদিন দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের নিচে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করেন। এতে কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ শহরগামী বাস ক্যাম্পাসের ভিতর আটকা পড়লে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হন।

এদিকে জড়িতদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার না করা পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে  তদন্তের ভিত্তিতে দোষীদের শাস্তির নিশ্চয়তা দিলে তারা তালা খুলে দিতে সম্মত হন।

দাবির প্রেক্ষিতে এ ঘটনায় ৩ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়ছে। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মেহেদী হাসান, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের আব্দুর রউফ ও মোসাব্বির হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বলেন, এরকম নৃশংশ ঘটনায় প্রক্টরিয়াল বডি মাত্র ৩ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে। কিন্তু হামলার ঘটনায় ৩০ এর অধিক শিক্ষার্থী জড়িত ছিলো। হামলায় জড়িত সকল সন্ত্রাসীদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তারা মার্ডার করার উদ্দেশ্য নিয়ে হামলা করেছে। আমাদের অনেকে গুরুতর আহত হয়েছে। এমনকি মৃত্যুও হতে পারতো। তারা আমাদের শিক্ষকের বুকে লাথি মেরেছে। সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত না করলে আমরা আরো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবো।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন যে, যাদেরকে চিন্হিত করা হয়েছে এবং যাদেরকে এখনো চিন্হিত করা হয়নি, তাদের সবাইকে সুষ্ঠু বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এটাই আমাদের একমাত্র দাবি। আর যদি এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যর্থ হয়, তাহলে পুরো আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীসহ পুরো বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমরা আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি নেব এবং আমরা আমরণ অনশন ধর্মঘট পালন করব।”