• ৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানের সাথে যুদ্ধের মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত মার্চ ৫, ২০২৬, ১৭:১২ অপরাহ্ণ
ইরানের সাথে যুদ্ধের মাশুল গুনছে ইসরায়েল, সপ্তাহে ক্ষতি ৯ বিলিয়ন শেকেল
সংবাদটি শেয়ার করুন....

ইরানকে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি থেকে বিরত রাখতে গত শনিবার থেকে যৌথ হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইসরায়েলে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিসহ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে ইসরায়েল।

বুধবার (৪ মার্চ) ইসরায়েলের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কারণে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের প্রভাবে ইসরায়েলের সাপ্তাহিক অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় নয় বিলিয়ন শেকেলে পৌঁছেছে।

বর্তমানে ইসরায়েলে ‘রেড লেভেল’ বা সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে। এর ফলে কর্মস্থলে যাতায়াত সীমিত করা হয়েছে এবং স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার থেকে কিছু ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ শিথিল করার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

যদি সতর্কতার মাত্রা ‘রেড লেভেল’ থেকে কমিয়ে ‘অরেঞ্জ লেভেল’-এ নামানো হয়, তাহলে সাপ্তাহিক অর্থনৈতিক ক্ষতি চার দশমিক তিন বিলিয়ন শেকেলে নেমে আসতে পারে। কারণ ‘অরেঞ্জ লেভেল’-এ কর্মক্ষেত্রে কার্যক্রম তুলনামূলকভাবে বেশি চালু থাকে।

ইরানে হামলার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে পাল্টা হামলার ঘটনা বেড়েছে এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি রপ্তানিতেও প্রভাব পড়ছে।

মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, এই সামরিক অভিযান আরও কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে।

চলতি সপ্তাহে ইসরায়েলের সব স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং জরুরি সেবা ছাড়া অধিকাংশ কর্মক্ষেত্র বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে বেশিরভাগ কর্মচারী বর্তমানে বাসা থেকে কাজ করছেন।

স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে নির্মূল করার নামে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকাকে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছে ইসরায়েল। গাজায় বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয়ের কারণে কিছুটা ক্ষতির মুখে পড়লেও ২০২৫ সালে ইসরায়েলের অর্থনীতি ৩.১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিল। গত অক্টোবরের যুদ্ধবিরতির পর ধারণা করা হচ্ছিল, ২০২৬ সালে এই প্রবৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

উল্লেখ্য, এক মার্কিন ডলার সমান তিন শেকেলের কিছু বেশি।

সূত্র : বিবিসি