• ৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমান স্পোর্টিং ক্লাব প্রতিষ্ঠা করাই অপরাধ

-নজরুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
তারেক রহমান স্পোর্টিং ক্লাব প্রতিষ্ঠা করাই অপরাধ
সংবাদটি শেয়ার করুন....

আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম একজন সুপরিচিত ক্রীড়া সংগঠক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক হিসেবে এলাকাবাসীর কাছে পরিচিত নাম। তিনি খিলগাঁও নিবাসী মরহুম ইছাহাক মিয়ার সুযোগ্য সন্তান। দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে ফুটবল অঙ্গনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকে তিনি ক্রীড়া উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন।

তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত “তারেক রহমান স্পোর্টিং ক্লাব’ পরিচালনায় প্রায় এক দশক ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। পাশাপাশি তিনি একটি ফুটবল একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ক্রীড়া সংগঠনের পাশাপাশি মোঃ আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)-এর কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এটি তার ক্রীড়া প্রশাসনিক দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতারই প্রতিফলন। সমাজসেবার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। তিনি বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থেকে নিয়মিত আর্থিক ও নৈতিক সহায়তা প্রদান করে আসছেন। একই সঙ্গে তিনি একাধিক সামাজিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থেকে মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “মানুষের সেবা করা ও জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখা আমার জীবনের এক ধরনের নেশায় পরিণত হয়েছে। বাল্যকাল থেকেই ধর্মীয় অনুভূতি ও মানবিক চেতনা আমাকে এই পথে অনুপ্রাণিত করেছে। আজীবন এই সেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই।”

উল্লেখ্য, তারেক রহমান স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও ডাকসুর সাবেক জিএস খায়রুল কবির খোকন। সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন মোঃ আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ ফারুক। আওয়ামীলীগের দুঃশাসনের সময়ে ২০১০ সালে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামানুসারে তারেক রহমান স্পোর্টিং ক্লাব প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখেন মোঃ আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম।এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করাই কাল হয়ে দাঁড়ায় আমার জীবনে। বিভিন্ন ধরনের হুমকি, ধামকি এবং হয়রানি করা হয়েছে। এরপরও আমি সংগঠনের কর্মকাণ্ড দায়িত্ব নিয়ে পরিচালনা করে আসছি। সংগঠনটিকে একটি শক্তিশালী কাঠামোগত রূপ দিতে সাবেক এমপি খায়রুল কবির খোকন ও তার সহধর্মিণী, মহিলা দলের নেত্রী শিরিন সুলতানার দিকনির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদের তত্ত্বাবধানেই সংগঠনটি আজ একটি প্রতিষ্ঠিত ক্রীড়া সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

এদিকে, আগস্ট ও জুলাই আন্দোলনের সময় আমার পরিবারের সদস্যরা পুলিশের ব্যারিকেড উপেক্ষা করে আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পানি ও প্যাকেটজাত খাবার বিতরণ করেন-যা তাদের মানবিক ও সাহসী ভূমিকার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ক্রীড়া উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণে মোঃ আলহাজ্ব নজরুল ইসলামের নিরলস ভূমিকা নিঃসন্দেহে এলাকাবাসীসহ ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের কাছে দীর্ঘদিন অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।