শিশুদের শৈশব নিরাপদ, ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হতে হবে: জুবাইদা রহমান
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ৭, ২০২৬, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
সংবাদটি শেয়ার করুন....
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, প্রতিটি শিশুর শৈশব নিরাপদ ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হওয়া প্রয়োজন। শিশুদের প্রতিভা বিকাশে উপযুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন ডা. জুবাইদা রহমান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা, শিশু ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিশু-কিশোরদের শুভেচ্ছা জানান ডা. জুবাইদা রহমান।
তিনি বলেন, প্রতিটি শিশুর মধ্যেই বিপুল সম্ভাবনা ও প্রতিভা রয়েছে। সেই প্রতিভার বিকাশে শিশুদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ তৈরি করা জরুরি।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ৫০ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। শিশুদের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা বাধা-বিপত্তির মধ্যেও প্রতিষ্ঠানটি পাঁচ দশক ধরে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, শিশু একাডেমির আঙিনায় ছবি আঁকা, সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে অসংখ্য শিশু-কিশোরের প্রতিভা বিকশিত হয়েছে। শিশুদের সৃজনশীলতা ও মেধা বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
শিশুদের অধিকার ও শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথাও তুলে ধরেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়া বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা এবং মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীর এই সময়ে নতুন উদ্যোগে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটিকে দেশের প্রতিটি প্রান্তের সব শিশুর কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, আগামী দিনেও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি শিশুদের স্বপ্ন ও প্রতিভা বিকাশের একটি নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হিসেবে থাকবে।
শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সব বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে তাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে এবং আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের পথে সফল হতে হবে।
প্রত্যেক শিশুর মধ্যে থাকা সম্ভাবনা ও প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ করে দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। নতুন উদ্যম ও উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুরা সফল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ডা. জুবাইদা রহমান।
তিনি বলেন, প্রতিটি শৈশব নিরাপদ এবং প্রতিটি শিশুর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হওয়াই সবার কামনা।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে পৌঁছালে ১৫০ শিশু তাদের স্বাগত জানায়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
আলোচনা সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
পরে তাঁরা শিশুদের আঁকা ছবি নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনী ও আলোকচিত্র গ্যালারি পরিদর্শন করেন।