ভোলায় রাষ্ট্রীয় গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থায় টাকা জমা দিয়ে , লাইন টেনে ৭ বছরেও আবাসিক গ্যাস সংযোগ না পাওয়া গ্রাহকরা সংযোগের দাবিতে ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগ বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে আন্দোলনে নেমেছেন। আজ শুক্রবার বৃষ্টি উপেক্ষা করে শহরের মাছুমা খানম বালিকা বিদ্যালয়ে সমাবেশ করে স্ব-উদ্যোগে গ্যাস সংযোগের আল্টিমেটাম ঘোষনা করেন আন্দোলনকারীরা। সরকারিভাবে সংযোগ না দিলে তারা বাধ্য হবেন স-উদ্যোগে সংযোগ নিতে। ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগ বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি রবিউল আলমের সভাপতিত্বে সংযোগ বঞ্চিত গ্রাহক আমিরুল ইসাম, কলেজ শিক্ষক রাজিউল ইসলাম শাহীন, বেল্লাল হোসেন , ব্যবসায়ী আমিরুল ইসলাম , এসএডি অর্জুন ,আয়শা সিদ্দিকা , বক্তব্য রাখেন।
আন্দোলন আহ্বান করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ব্যাবসায়ী তরিকুল ইসলাম কায়েদ। একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন ভোলা স্বার্থরক্ষা উন্নয়ন কমিটির সম্পাদক সাংবাদিক অমিতাভ অপু। বক্তারা বলেন ভোলার গ্যাস ভোলা চাই, গৃহস্হলির জন্য শুধু মাত্র ০১(এক) মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস বরাদ্দ ঢাই। ভোলায় পর্যাপ্ত গ্যাস মজুদ আছে, ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিভের সাথে সংযুক্ত হয়নি, ভোলার গ্যাস সংযোগ চালু করলে রাষ্ট্রীয় কোন অর্থ ব্যায় করার প্রয়োজন হবেনা, ২০১৭ ও ১৮ সালে গ্যাস সংযোগরে জন্য ৫৭৭ জন গ্রাহক গ্যাস সরবরাহের দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রীয় পেট্রোবাংলার প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান সুন্দর গ্যাস কোম্পানীতে ডিমান্ডনোট অনুযায়ী টাকা জমা দেন। বাড়িতে বাড়িতে লাইন টানা হয়েছে। রাইজার স্থাপন করা হয়। কিন্তু যে মুহুর্তে সংযোগ দিবে ওই সময় জ্বালানী মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে গ্যাস সংযোগ বন্ধ রাখা হয়। ওই থেকে সংযোগ পাচ্ছেনা এই গ্রাহকরা। অপরদিকে আবাসিক গ্যাস সংযোগের জন্য ৫ হাজার আবেদন পড়ে আছে, যারা সংযোগ পান নি। বাধ্য হয়ে তারা আন্দোলনে নেমেছেন।
তাদের দাবি ভোলার চাহিদা পূরণ করে , ভোলার মজুদ গ্যাস দিয়ে দেশের চাহিদাপূরণ করলে তাদের আপত্তি থাকবে না।