মাতৃমৃত্যু কমানো ও টিটেনাস নির্মূলে বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা WHO-এর
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ণ
সংবাদটি শেয়ার করুন....
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ২০৩০ সালের সময়সীমার আগেই মাতৃমৃত্যুর হার কমানোর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করায় বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। একই সঙ্গে মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের অবস্থান এক দশক ধরে ধরে রাখায়ও দেশের প্রশংসা করেছে সংস্থাটি।
মাতৃমৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই অর্জন করায় বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের এ অর্জনকে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
পূর্ব তিমুরের দিলিতে ৭ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য WHO-এর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কমিটির ৭৯তম অধিবেশনে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের হাতে অভিনন্দনপত্র তুলে দেন WHO-এর মহাপরিচালক ড. টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস।
অভিনন্দনপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশের এ সাফল্যের পেছনে সরকারের দৃঢ় নেতৃত্ব, কার্যকর স্বাস্থ্যনীতি এবং সুসংগঠিত প্রজনন ও মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও দেশে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
এ ছাড়া দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে প্রসবসেবা ও মিডওয়াইফারি সেবা নিশ্চিত করা, জনগণের অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে সহযোগিতাও এ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে উল্লেখ করা হয়।
WHO-এর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় জানায়, গত ১০ বছর ধরে মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের অবস্থান ধরে রাখার জন্যও বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। শক্তিশালী জাতীয় অঙ্গীকার, মানসম্মত টিকাদান সেবা এবং দেশজুড়ে নিরাপদ প্রসবের চর্চা এ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
অভিনন্দনপত্রে আরও বলা হয়, গত এক দশকে WHO-এর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের আঞ্চলিক অর্জন ধরে রাখার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের এ সাফল্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
বাংলাদেশ সরকারের এ অর্জন, বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়াকে অত্যন্ত সম্মানের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছে WHO-এর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়। একই সঙ্গে উল্লেখযোগ্য এসব জনস্বাস্থ্য সাফল্যের জন্য বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে সংস্থাটি।