টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরিকল্পনায় শান্তকে দলে ফেরানো: সালাহউদ্দিন
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ণ
সংবাদটি শেয়ার করুন....
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ব্যাটিংয়ে অভিজ্ঞতা ও স্থিরতা বাড়াতেই এক বছরের বেশি সময় পর নাজমুল হোসেন শান্তকে বাংলাদেশ দলে ফেরানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন এশিয়ান গেমস ক্রিকেট দলের কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই নাজমুল হোসেন শান্তকে বাংলাদেশ দলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। তাঁর মতে, ব্যাটিং বিভাগে অভিজ্ঞতা ও স্থিতিশীলতা আনতে শান্তর অন্তর্ভুক্তি গুরুত্বপূর্ণ।
শান্ত সর্বশেষ ২০২৫ সালের মে মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছিলেন। দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে থাকার পর এশিয়ান গেমসের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের দলে তাঁকে রাখা হয়। তাঁর অন্তর্ভুক্তি অনেকের কাছেই বিস্ময়কর মনে হলেও সালাহউদ্দিন জানান, বাংলাদেশের শীর্ষ ১৫ ক্রিকেটারের তালিকায় শান্তর অবস্থান এবং টি-টোয়েন্টিতে তাঁর অভিজ্ঞতা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।
আজ অলিম্পিক ভবনে এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে যাওয়া বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সালাহউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ সেরা ১৫ জন খেলোয়াড় নিয়েই খেলবে। কে দলে এসেছে বা বাদ পড়েছে, সেটি বড় বিষয় নয়। শান্তও সেরা ১৫ খেলোয়াড়ের একজন বলেই তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে শান্তর দীর্ঘ বিরতি নিয়ে উদ্বিগ্ন নন কোচ। সালাহউদ্দিন বলেন, শান্ত এই সংস্করণে নতুন নন। সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও তিনি খারাপ খেলেননি। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগসহ বিভিন্ন টুর্নামেন্টে তাঁর একাধিক সেঞ্চুরি রয়েছে। তাই এই সংস্করণের সঙ্গে মানিয়ে নিতে তাঁর সমস্যা হবে না বলে মনে করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আরও জানান, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শান্তর প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশকে অভিজ্ঞতার দিক থেকে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।
তিনি বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ একজন অভিজ্ঞ ব্যাটারকে খেলাতে পারবে বলে তিনি আশা করছেন।
এদিকে শুরুতে এশিয়ান গেমসের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেটের উচ্চতর পারফরম্যান্স দল পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। তবে ভারত, পাকিস্তানসহ কয়েকটি শক্তিশালী দল তাদের মূল জাতীয় দল পাঠানোর ইঙ্গিত দেওয়ায় সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
সালাহউদ্দিন বলেন, প্রথমে উচ্চতর পারফরম্যান্স দলের যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অন্য দেশগুলোও যখন তাদের মূল জাতীয় দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তখন বাংলাদেশও কেন মূল দল পাঠাবে না—সেই চিন্তা থেকেই পরিকল্পনা পরিবর্তন করা হয়।