• ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তথ্যমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ০৯:১৬ পূর্বাহ্ণ
তথ্যমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
সংবাদটি শেয়ার করুন....

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান এবং প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

বুধবার সকালে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় আন্দালিভ রহমানকে অভিনন্দন জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

আলোচনায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার স্বাধীন গণমাধ্যমের পরিবেশ সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ টেলিভিশনে বিরোধী দলের সংবাদ প্রচারের বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ভুল তথ্য, অপতথ্য ও মানহানিকর বক্তব্যের বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।

অন্যদিকে, ভুল তথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অপপ্রচারের কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

আলোচনায় অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ক্রমাগত শক্তিশালী হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এ সময় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত অর্থনৈতিক সহায়তার বিষয়টিও তুলে ধরেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সহযোগিতার কথা জানান তিনি।

সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এ সময় তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার সমুন্নত রেখেই দায়িত্বশীলভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে চায় সরকার।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।