জনগণের নির্বাচিত সরকার হিসেবে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে কাজের অঙ্গীকার স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর
গঠনমূলক সমালোচনা গ্রহণ করবে সরকার, মিথ্যা তথ্য প্রচার না করার আহ্বান
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ৩, ২০২৬, ০০:০২ পূর্বাহ্ণ
সংবাদটি শেয়ার করুন....
জনগণের নির্বাচিত সরকার হিসেবে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, সরকারের কাজে ভুলত্রুটি থাকলে তা গঠনমূলকভাবে তুলে ধরলে সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে মিথ্যা তথ্য বা বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে সমালোচনা না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আজ রাজধানীর কাকরাইলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) অডিটোরিয়ামে অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার গঠনমূলক সমালোচনা শুনতে প্রস্তুত। সরকারি কাজে কোনো ভুল হলে তা চিহ্নিত করে জানানো হলে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, সরকারের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী জনগণের সেবক। দেশের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে উন্নত ও সম্মানজনক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাই সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত। সীমিত সম্পদের মধ্যেও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে জনগণের সেবা করার জন্য তিনি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যক্রম শুধু উন্নয়ন প্রকল্পকেন্দ্রিক হলে চলবে না; মাঠপর্যায়ের মানুষের প্রকৃত প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
তিনি বিদ্যমান অবকাঠামোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ জোরদার, বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের অবকাঠামো নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পৃথক তহবিল ও প্রয়োজনীয় বরাদ্দ থাকা জরুরি। বড় শহরগুলোতে বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি ছোট পৌরসভা ও উপজেলায় কম ব্যয়ে কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে।
এ ছাড়া নদী ও পুকুরের পানি পরিশোধনের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। এতে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমানো সম্ভব হবে বলেও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।
আলোচনা সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. জামানুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।