• ৩রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তরা ফায়দাবাদে ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ ও জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ১৪:৩০ অপরাহ্ণ
উত্তরা ফায়দাবাদে ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ ও জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন
সংবাদটি শেয়ার করুন....

রাজধানীর উত্তরাস্ত ফাদয়াদাবাদ প্রাইমারি স্কুল রোডে বহুতল ভবন নির্মাণ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ভবন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এসসিএল ডেভেলপার কোম্পানী। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় “সূর্যমুখী টাওয়ার” ভবনটির নির্মানকাজ চলমান রয়েছে। তবে নেই সেখানে কোন জোরদার সেফটি বা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ভবনে রয়েছে অতিরিক্ত ডেভিয়েশন যা নিয়মবহির্ভুত।

এ বিষয়ে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে বেরিয়ে আসে আরো চাঞ্চল্যকর ও গাঁ শিউরে ওঠার মতো তথ্য। জানা যায় সূর্যমুখী টাওয়ারের জমিটির মালিকানা নিয়ে রয়েছে ব্যপক ভিন্নমত। স্থানীয়দের একটি অংশের দাবী জমিটির মুল মালিক সরকারের একজন সাবেক সচিব। আবার অন্য একটি সূত্র জানায় জমিটি পলাশ হাউজিং সোসাইটির মালিক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মতিউর রহমানের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, প্রায় কয়েক বছর ধরে জমিটির প্রকৃত মালিক বা উত্তরাধীকারীদের কোনো কোজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

জমিটি দীর্ঘদিন অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকার সুযোগে নানা পক্ষ সুযোগ নিয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বিএনপি নেতা বলেন, গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এসসিএল কোম্পানী সাবেক কাউন্সিলর মোতালেব মিয়ার মাধ্যমে জমিটি ক্রয় করে নির্মানকাজ ও ফ্লাট বিক্রি শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞদের ধারনা মালিকানা স্পষ্ট না থাকলে ভবিষ্যতে ক্রেতারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। এ প্রসঙ্গে এসসিএল কোম্পানীর পরিচালক রিয়াজ মোল্লা জানান, কোম্পানী বৈধভাবে জমিটি ক্রয় করেছে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেই নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছে। মালিকানা নিয়ে যে বিভ্রান্তি হচ্ছে তা সম্পুর্ণ উদ্দেশ্যমূলক।

অন্যদিকে, এ বিষয়ে রাজউকের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা জানান, “যদি কোনো ভবন নিয়মবহির্ভূতভাবে নির্মাণ করা হয়, তাহলে আমরা অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। অনিয়ম রোধে এবং জনগণকে সচেতন করতে আমাদের নিয়মিত অভিযান চলমান রয়েছে।” অনুসন্ধান চলমান রয়েছে- মালিকানা, জমির বিরোধ, ও ক্রেতাদের প্রতিক্রিয়া থাকছে পরবর্তি পর্বে।