বেনাপোল সীমান্তে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার, ভিসা সেবা স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত টুরিস্ট ভিসা চালু নিয়ে আশার বার্তা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত জুন ১২, ২০২৬, ১৯:২৪ অপরাহ্ণ
সংবাদটি শেয়ার করুন....
বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী শুক্রবার বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় টুরিস্ট ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়ে আশাব্যঞ্জক বার্তা দেন।
শুক্রবার (১২ জুন) সকাল প্রায় ১১টার দিকে ভারতের বনগাঁ সীমান্ত অতিক্রম করে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন দিনেশ ত্রিবেদী। তাঁর সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন স্ত্রী।
বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর নবনিযুক্ত হাইকমিশনারকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। এ সময় শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ, শার্শা উপজেলা বিএনপির শ্রমিকবিষয়ক সম্পাদক শহীদ আলীসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চেকপোস্টে সংক্ষিপ্ত সময় অবস্থান শেষে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর দিনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে ‘ভাই-বোনের সম্পর্ক’ হিসেবে উল্লেখ করে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার বিষয়েও ইতিবাচক ইঙ্গিত দেন।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, দীর্ঘদিন ধরে সীমিত আকারে পরিচালিত ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম ধীরে ধীরে সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা চলছে। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হলে পর্যটন ভিসাসহ বিভিন্ন ধরনের ভিসা সেবা স্বাভাবিক হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।
তবে ভারতীয় টুরিস্ট ভিসা পুরোপুরি চালুর বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। এ কারণে চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা ও ভ্রমণের উদ্দেশ্যে ভারতে যেতে আগ্রহী বাংলাদেশিদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে শিক্ষা, চিকিৎসা, পর্যটন ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে টুরিস্ট ভিসা পুরোপুরি চালু হলে দুই দেশের মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, নতুন হাইকমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যেতে পারে।