শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: মঈন খান
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ৭, ২০২৬, ১৬:৫১ অপরাহ্ণ
সংবাদটি শেয়ার করুন....
শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, শিশুদের জন্য কাজ করা মানেই দেশের ভবিষ্যতের জন্য কাজ করা।
আজকের শিশুরাই আগামী দিনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে এবং দেশকে এগিয়ে নেবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
বুধবার সকালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘শিশুর স্বপ্নে ৫০ বছর: অর্জনে অভিজ্ঞতা ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, আজকের শিশুরাই ভবিষ্যতে দেশের পূর্ণ নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্র ও সমাজকে গড়ে তুলবে। এটি তাদের জন্য যেমন বড় দায়িত্ব, তেমনি বর্তমান প্রজন্মেরও দায়িত্ব রয়েছে—শিশুরা যাতে সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ পায় তা নিশ্চিত করা।
শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তারা সঠিকভাবে গড়ে উঠতে ব্যর্থ হলে এর দায় বর্তমান প্রজন্মের ওপরও বর্তাবে। তাই দেশকে ভালোবাসলে এখন থেকেই বাংলাদেশের সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।
শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শিতার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ বিশ্বজুড়ে শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার ১৩ বছর আগেই ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছিলেন। একই সঙ্গে দেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতে শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তাও তিনি অনুধাবন করেছিলেন।
তিনি বলেন, ‘শিশুর পিতা ঘুমিয়ে আছে সব শিশুরই অন্তরে’—এই কথার তাৎপর্য হলো, শিশুরাই ভবিষ্যতে দেশের পূর্ণ নাগরিক হয়ে দেশকে গড়ে তুলবে। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক হবে এবং দেশের নেতৃত্ব দেবে।
বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তিকে শিশুদের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিশুরা বাংলাদেশের শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছে। এই অভিজ্ঞতা তাদের সারাজীবন মনে রাখা উচিত।
শিশুদের ভবিষ্যৎকে সৃষ্টির চাকার সঙ্গে তুলনা করে মন্ত্রী বলেন, পৃথিবী কখনো থেমে থাকে না। সৃষ্টির চাকা সবসময় ঘুরছে এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। শিশুরাও সেই সৃষ্টির চাকার একটি অংশ। তাই ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে তাদের এখন থেকেই প্রস্তুত হতে হবে।
শিশুদের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আজকের ইতিহাস থেকে পাওয়া শিক্ষা ভবিষ্যৎ জীবনে কাজে লাগাতে হবে। সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করতে হবে। একই সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ অনুসরণ করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সেলিমা রহমান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালমা আক্তার এবং শিশু একাডেমির মহাপরিচালক আরজু আরা বেগম।