• ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞানীদের মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে- কৃষিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত জুন ২৪, ২০২৬, ২১:০৬ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞানীদের মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে- কৃষিমন্ত্রী
সংবাদটি শেয়ার করুন....
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশের টেকসই উন্নয়ন ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানীদের খাদ্যের পুষ্টিগুণ, নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে মৌলিক, উদ্ভাবনী ও মানসম্পন্ন গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। কারণ গবেষণার কোনো বিকল্প নেই।
  আজ ময়মনসিংহে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) এর বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে প্রতিষ্ঠানটির সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
  মন্ত্রী গবেষণার প্যাটেন্ট গ্রহণ এবং কৃষিকে যুগোপযোগী করতে উৎপাদনশীল প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে এবং কৃষি এগিয়ে গেলেই দেশ এগিয়ে যাবে।
  মন্ত্রী আরো বলেন, পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদনের অভাব নেই, অভাব আছে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের। তাই সরকার নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, ভেজাল ও নিম্নমানের খাবারের কারণে মৎস্য ও কৃষি খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী মাছের খাদ্য উৎপাদনের কাঁচামাল নিরাপদভাবে উৎপাদন করা জরুরি। খাদ্য নিরাপদ উপায়ে উৎপাদন বাড়িয়ে পরবর্তীতে রপ্তানি করা হবে।
  কৃষিখাতের মতো মাছ চাষে ভরতুকিমূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মৎস্য চাষিদের এ দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
  এর আগে মন্ত্রী বিএফআরআইয়ে অবস্থিত বিভিন্ন হ্যাচারি পরিদর্শন করেন। তিনি সুবর্ণ রুই, মেকং পাঙ্গাশ, মহাশোল, ছোট মহাশোল, স্বাদুপানির মুক্তা, খোকসা মাছ, ঢেলা মাছ, দেশি সরপুটি, বাইন মাছ, ভাগনা মাছ, দেশি তিত পুঁটি, ঘাউড়া, মনোসেক্স তেলাপিয়া, গুঁড়া চিংড়ি, গলদা চিংড়ি, কুচিয়া মাছের হ্যাচারি এবং খাঁচায় শিং, গুলসা, পাবদা ও মাগুর মাছের চাষ পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট শাখাকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
  এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বিএফআরআই’র মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র, ময়মনসিংহ বিভাগে মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, ইনস্টিটিউটের পরিচালক  ড. মোঃ লতিফুল ইসলাম, পরিচালক ড. মোঃ আমিরুল ইসলাম, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ শহীদুল ইসলাম-সহ ময়মনসিংহের বিভিন্ন দপ্তর এবং  বিএফআরআই’র কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।