• ১৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৪ঠা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেনাপোল সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির কড়াকড়িতে ব্যর্থ বিএসএফ

বেনাপোল শার্শা যশোর
প্রকাশিত জুন ২, ২০২৬, ১৪:৫৭ অপরাহ্ণ
বেনাপোল সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির কড়াকড়িতে ব্যর্থ বিএসএফ
সংবাদটি শেয়ার করুন....

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে কয়েকজন নারী, পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর (পুশইন) চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কঠোর অবস্থান ও সতর্ক নজরদারির কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

রবিবার গভীর রাতে বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্ত এলাকার খড়ের মাঠসংলগ্ন অংশে এ ঘটনা ঘটে। বিজিবি জানিয়েছে, রাতের আঁধারে সীমান্তের আলো বন্ধ করে কিছু লোককে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা দ্রুত সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করলে বিএসএফ তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করাতে পারেনি।

যশোর-৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সূত্র জানায়, সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার থাকায় বিএসএফের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। বর্তমানে ১০ থেকে ১২ জনকে সীমান্তের শূন্যরেখার কাছে অবস্থান করিয়ে রাখা হয়েছে। তাদেরও বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

যশোর-৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম খান বলেন, “রাতভর সীমান্ত এলাকায় আমাদের টহল জোরদার ছিল। বিজিবির সতর্ক অবস্থানের কারণে বিএসএফ সাদিপুর খড়ের মাঠ এলাকায় সীমান্ত পিলার ১৯/এস-৬-এর কাছে অবস্থানরত ব্যক্তিদের বাংলাদেশে প্রবেশ করাতে পারেনি। বর্তমানে তারা শূন্যরেখায় অবস্থান করছে।”

তিনি আরও বলেন, “বিএসএফ যেকোনো সীমান্তপথ ব্যবহার করে পুশইনের চেষ্টা করতে পারে। তবে বিজিবিও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কোনোভাবেই অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।”

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বিএসএফের ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করা ৮ থেকে ১০ জন নারী, পুরুষ ও শিশু বর্তমানে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছে। বিষয়টি সমাধানে বিএসএফকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি নিরসনে দুই বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে কথিত ভারতীয় রোহিঙ্গাসহ অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে প্রবেশ ঠেকাতে বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্তে নজরদারি ও টহল আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখা হয়েছে।