• ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে ইলেকট্রিক ট্রেনের ডিজাইন শেষ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬, ১৭:৩৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে ইলেকট্রিক ট্রেনের ডিজাইন শেষ
সংবাদটি শেয়ার করুন....

চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর লক্ষ্যে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সংবাদ:
চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার লক্ষ্যে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ করেছে সরকার। প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর প্রকল্পটির বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

আজ বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।

মোহাম্মদ এনামুল হক জানতে চান, দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকার যাতায়াতে সময় ও দূরত্ব কমাতে ইলেকট্রিক বা বুলেট ট্রেন চালুর কোনো পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে কি না এবং থাকলে তা কবে নাগাদ বাস্তবায়ন করা হবে।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার জন্য ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর এর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

তিনি বলেন, অর্থায়ন পাওয়া সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন চালানো সম্ভব হবে। এতে ট্রেনের গড় গতি বাড়ার পাশাপাশি যাতায়াতে সময়ও কমবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরের দূরত্ব কমানোর লক্ষ্যে ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ডলাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে রেলপথের দূরত্ব কমবে এবং ট্রেনের গড় গতি বাড়বে। ফলে অল্প সময়ে দুই শহরের মধ্যে যাতায়াত করা সম্ভব হবে।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এর আওতায় টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইনের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

এর মধ্যে লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অন্যদিকে, টঙ্গী-আখাউড়া ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা ও ট্রেনের গতি বাড়বে।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে তিনটায় অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

আরো পড়ুন

দৈনিক ভোর
×
Loading...