• ১লা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৬ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইইবি নির্বাচন: সিদ্ধান্ত অমান্য করায় এ্যাব-এর শীর্ষ পর্যায়ের ৯ সদস্যকে স্থায়ী বহিষ্কার, ৬ জনকে শোকজ

মো: রিপন আলী
প্রকাশিত নভেম্বর ১, ২০২৬, ১৬:৫৪ অপরাহ্ণ
আইইবি নির্বাচন: সিদ্ধান্ত অমান্য করায় এ্যাব-এর শীর্ষ পর্যায়ের ৯ সদস্যকে স্থায়ী বহিষ্কার, ৬ জনকে শোকজ
সংবাদটি শেয়ার করুন....

আসন্ন ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) নির্বাচন ২০২৭-২০২৮ উপলক্ষে সংগঠনের সিদ্ধান্ত ও অনুমোদিত প্রার্থী মনোনয়ন অমান্য করা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর ৯ জন সদস্যকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং ৬ জন সদস্যকে শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) প্রদান করা হয়েছে।
সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ধারা ১৩.২ লঙ্ঘনের দায়ে এ্যাব-এর আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন স্বাক্ষরিত পৃথক পৃথক আদেশে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত নেতৃবৃন্দ ও সদস্যগণ হলেন: ১. প্রকৌশলী সৈয়দ মাহফুজ আহমেদ, পিইঞ্জ (উপদেষ্টা, আহ্বায়ক কমিটি) ২. প্রকৌশলী এ টি এম তানবির-উল-হাসান তমাল (সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি) ৩. প্রকৌশলী বিজু বড়ুয়া (সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি) ৪. প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন (সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি) ৫. প্রকৌশলী মুহাম্মদ আহসানুল রাসেল (সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি) ৬. প্রকৌশলী সাব্বির আহমেদ ওসমানী (সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি) ৭. প্রকৌশলী মো. কামরুল হাসান উজ্জ্বল (সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি) ৮. প্রকৌশলী মোতাহার হোসেন (সাধারণ সদস্য) ৯. প্রকৌশলী কাজী ইয়াকুব সিরাজউদ্দৌলা (সাধারণ সদস্য)

সংগঠন সূত্রে জানানো হয়, বহিষ্কৃত ব্যক্তিবর্গকে পূর্বে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হলেও তাঁদের দেওয়া লিখিত জবাব অসন্তোষজনক ও অপর্যাপ্ত প্রমাণিত হয়েছে। স্থায়ী বহিষ্কারের ফলে সংগঠনটির সাথে তাঁদের সকল পদ ও সাধারণ সদস্যপদের অবসান ঘটেছে এবং তাঁরা আর এ্যাব-এর নাম, পদবি বা পরিচয় ব্যবহার করতে পারবেন না।

কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রাপ্তগণ হলেন: দলীয় সিদ্ধান্ত ও প্যানেল অমান্য করে প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা মনোনয়নপত্র দাখিল করায় নিম্নলিখিত ৬ জন সাধারণ সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের এ্যাব-এর সাধারণ সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে: ১. প্রকৌশলী মো. জহুরুল ইসলাম জনি (নোটিশ প্রাপ্তির ২ কর্মদিবসের মধ্যে জবাবের নির্দেশ) ২. প্রকৌশলী মুহাম্মদ আবু হোসেন হিটলু (নোটিশ প্রাপ্তির ২ কর্মদিবসের মধ্যে জবাবের নির্দেশ) ৩. প্রকৌশলী মো. আরাফাত রহমান রাকু (নোটিশ প্রাপ্তির ২ কর্মদিবসের মধ্যে জবাবের নির্দেশ) ৪. প্রকৌশলী মো. মেসবাহুল ইসলাম বরাত (নোটিশ প্রাপ্তির ২ কর্মদিবসের মধ্যে জবাবের নির্দেশ) ৫. প্রকৌশলী মোহাম্মদ মুনতাসির মামুন (নোটিশ প্রাপ্তির ৩ কর্মদিবসের মধ্যে জবাবের নির্দেশ) ৬. প্রকৌশলী মো. শহীদুজ্জামান (নোটিশ প্রাপ্তির ৩ কর্মদিবসের মধ্যে জবাবের নির্দেশ) ৭. প্রকৌশলী মুহাম্মদ সাইদুল ইসলাম (নোটিশ প্রাপ্তির ৩ কর্মদিবসের মধ্যে জবাবের নির্দেশ)

সংগঠনের সাংগঠনিক ঐক্য, শৃঙ্খলা ও গঠনতান্ত্রিক মর্যাদা রক্ষার স্বার্থেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।