• ১৪ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেনাপোল বন্দরের শেডে মিলল নিখোঁজ ১৯ প্যাকেজ ভারতীয় পণ্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত জুলাই ১৩, ২০২৬, ২২:১৯ অপরাহ্ণ
বেনাপোল বন্দরের শেডে মিলল নিখোঁজ ১৯ প্যাকেজ ভারতীয় পণ্য
সংবাদটি শেয়ার করুন....

বেনাপোল স্থলবন্দরের ৩৭ নম্বর শেড থেকে নিখোঁজ হওয়া ১৯ প্যাকেজ ভারতীয় পণ্য উদ্ধার করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে বন্দর ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শেডের ভেতরে পুরোনো নিলামের মালামালের আড়াল থেকে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।

বন্দর ও কাস্টমস সূত্র জানায়, গত ১২ মার্চ মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভারত থেকে একটি পণ্যচালান আমদানি করা হয়। আমদানি নথিতে বেকিং পাউডারের ঘোষণা থাকলেও কাস্টমসের কায়িক পরীক্ষায় ১০৮ প্যাকেজে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস, বেবিওয়্যার, ফেসওয়াশ, ক্রিম, লোশনসহ বিভিন্ন প্রসাধনী জব্দ করা হয়। পরে চালানটি বন্দরের ৩৭ নম্বর শেডে জিম্মায় রাখা হয়।

গত ২ জুন চালানটির পুনরায় ইনভেন্টরি করতে গিয়ে কাস্টমস কর্মকর্তারা দেখতে পান, ১০৮ প্যাকেজের মধ্যে ১৯ প্যাকেজ নেই। এ ঘটনায় প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয় এবং তদন্ত শুরু হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদুল আজহার আগে প্যাকেজগুলো গোপনে সরিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে শেডের ভেতরে পুরোনো নিলামের মালামালের সঙ্গে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। তবে বাইরে নেওয়ার সুযোগ না পাওয়ায় সেগুলো সেখানেই থেকে যায়। সোমবার অন্য একটি চালানের ইনভেন্টরির সময় কর্মকর্তারা লুকিয়ে রাখা প্যাকেজগুলোর সন্ধান পান।

কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা চালানটির আমদানিকারক যশোরের সাফা ইমপেক্স এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ছিল বেনাপোলের মেসার্স হুদা এন্টারপ্রাইজ। মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় পণ্য আমদানি এবং প্রায় ২ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৫ টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন বলেন, উদ্ধার হওয়া ১৯ প্যাকেজ আগের জব্দ করা চালানেরই অংশ। এগুলো শেডের ভেতরে নিলাম পণ্যের মধ্যে চাপা পড়ে ছিল। তদন্তে কারও অনিয়ম বা সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার তৌফিকুর রহমান বলেন, উদ্ধার হওয়া পণ্য গণনা ও যাচাইয়ের কাজ চলছে। যাচাই শেষে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।