চিংড়ি রপ্তানিতে মান নিশ্চিতের তাগিদ প্রতিমন্ত্রী টুকুর
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ১৬, ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
সংবাদটি শেয়ার করুন....
চিংড়ি খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে গুণগত মান, উৎপাদনশীলতা, পরিবেশের সুরক্ষা ও শ্রমিকদের শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
চিংড়ি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য। এ খাতের দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে উন্নত চাষ পদ্ধতি, চিংড়ির স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান অনুসরণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বিল্ডিং আ রেজিলিয়েন্ট অ্যান্ড ইনক্লুসিভ শ্রিম্প সাপ্লাই চেইন’ শীর্ষক সংলাপে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), মন্টেরে বে অ্যাকোয়ারিয়াম (এমবিএ) এবং বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএফইএ) সদস্য প্রতিষ্ঠান টোটালফুড প্রসেসিং প্রাইভেট লিমিটেড যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, টেকসই মৎস্য চাষের প্রসার, উৎপাদনের মান উন্নয়ন, জলজ প্রতিবেশের সুরক্ষা এবং চাষিদের সহায়তায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
তিনি বলেন, চিংড়ি খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং এ খাতের মূল্যশৃঙ্খল শক্তিশালী করতে মন্ত্রণালয়, বেসরকারি খাত ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে কাজ অব্যাহত থাকবে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে মোট ৪৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সামুদ্রিক খাদ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে চিংড়ি রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার।
তিনি বলেন, চিংড়ি রপ্তানি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে হাজারো চিংড়ি চাষি ও শ্রমিকের জীবিকা নির্বাহেও এ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
গ্লোবাল হোটেল চেইন ম্যারিয়ট ইন্টারন্যাশনালের শেফদের বাংলাদেশ সফরের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের চিংড়ি উৎপাদকরা আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পাবেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং উন্নত বাজারে প্রবেশের সুযোগ সম্প্রসারণে সহায়তা মিলবে।
বাংলাদেশের চিংড়ি খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক, টেকসই ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের উন্নয়ন সহযোগিতা বিভাগের প্রধান মিশাল ক্রেয়জা। সমাপনী বক্তব্য দেন আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স তুনন।