ইলাস্টিক ব্যান্ডেজ দিয়ে কুনইয়ে হালকা পেঁচিয়ে রাখুন। * হাত উঁচু করে রাখুন, যাতে ফোলাভাব কমে।
২. ওষুধ : ব্যথা কমানোর জন্য প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন জাতীয় ব্যথানাশক। * আর্থ্রাইটিস থাকলে প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে কর্টিকোস্টেরয়েড।
৩. ফিজিওথেরাপি : মাংসপেশি ও স্নায়ুর ব্যথা কমানোর পাশপাশি কার্যক্ষমতা পুনরুদ্ধারে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা খুবই কার্যকর।
৪. ইনজেকশন থেরাপি :
* টেনিস বা গল্ফার এলবোতে কর্টিকোস্টেরয়েড ইনজেকশন লাগতে পারে।
৫. সার্জারি (জরুরি প্রয়োজনে) : যদি হাড় ভেঙে যায়, স্নায়ুর চাপে সমস্যা হয় বা আর্থ্রাইটিস গুরুতর হয়, তবে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।
সতর্কতা : অতিরিক্ত ভারী কাজ এড়িয়ে চলুন। * কাজের সময় সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখুন। * পেশির শক্তি বাড়ানোর জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করুন। * ক্রীড়া বা অন্যান্য কাজের আগে গরম করার অনুশীলন করুন।
লেখক : চেয়ারম্যান, ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা।