• ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনআস্থা ফেরাতে মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ গড়তে চাই: আইজিপি

মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ২৪, ২০২৬, ২১:১৪ অপরাহ্ণ
জনআস্থা ফেরাতে মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ গড়তে চাই: আইজিপি
সংবাদটি শেয়ার করুন....

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পুলিশ দৃঢ় মনোবল নিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। জনগণের সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ গড়ে তুলতে কাজ চলছে।

তিনি বলেন, জনআস্থা পুনরুদ্ধার এবং সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি কার্যকর পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তোলাই পুলিশের লক্ষ্য।

আজ খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) লাইন্সে কেএমপির আওতাধীন এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, বিগত ১৭ বছরে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা দূর করাই এখন অন্যতম লক্ষ্য। জনগণের সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলতে পুলিশ কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার মাদক ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে। সমাজ থেকে মাদক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এসব অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পুলিশপ্রধান বলেন, বর্তমানে কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজ, মাদক ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান চলছে। এ কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় পরিচালনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের সমাজের দর্পণ আখ্যায়িত করে আইজিপি কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমে সহযোগিতার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

কেএমপি কমিশনার মো. সাজ্জাদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম এবং পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, খুলনার কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) এ কে এম মোশাররফ হোসেন মিয়াজী। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে আইজিপি খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে খুলনাস্থ বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন।