• ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেঁয়াজ সংরক্ষণে নতুন করে পনেরো হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেওয়া হবে -কৃষিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত জুলাই ২৩, ২০২৬, ২১:৪৭ অপরাহ্ণ
পেঁয়াজ সংরক্ষণে নতুন করে পনেরো হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেওয়া হবে -কৃষিমন্ত্রী
সংবাদটি শেয়ার করুন....

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, পেঁয়াজ সংরক্ষণের সক্ষমতা বাড়াতে কৃষক পর্যায়ে নতুন করে আরো পনেরো হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেওয়া হবে।
আজ রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশের পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকায় পরিবর্তিত জলবায়ুর প্রতিকূল প্রভাব প্রশমনে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের অভিযোজন প্রকল্প’-এর জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সচিব ড. মো. রফিকুল ই মোহামেদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মাহফুজুর রহমান।
মন্ত্রী বলেন, দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন চাহিদার তুলনায় বেশি হলেও পর্যাপ্ত সংরক্ষণ সুবিধার অভাবে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। সংরক্ষণ ব্যবস্থা বাড়ানোর মাধ্যমে পেঁয়াজ আমদানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা এবং উৎপাদন বাড়িয়ে ভবিষ্যতে পেঁয়াজ রপ্তানি করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের এক কোটি মানুষ দেশের বাইরে থাকে। তারা দেশীয় পেঁয়াজ খেতে চায়। বিশ্বের অন্যান্য দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ প্রায় সবজির মতো। প্রকৃত পেঁয়াজ বলতে আমাদের দেশীয় পেঁয়াজকেই বোঝায়।
উল্লেখ্য, কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনে পেয়াঁজ সংরক্ষণের প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। ২০২৫ সালের মে মাসে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রকল্পটির অর্থায়ন করছে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড। প্রকল্পটি পাবনা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, মাগুরা, ঝিনাইদহ, মানিকগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, মেহেরপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, রংপুর ও বগুড়াসহ ১৬ জেলার ১০৭টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।
প্রকল্পের আওতায় পেঁয়াজের সংগ্রহোত্তর পচন রোধে ৩ হাজার ৭০০টি পরিবেশবান্ধব এয়ার ফ্লো মেশিন স্থাপন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ পচনের হাত থেকে রক্ষা করা এবং দেশের আমদানি ব্যয় কমানো সম্ভব হবে। প্রকল্পের আওতায় কৃষক পর্যায়ে ৩ হাজার ৯০০ জন কৃষককে কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে ।