• ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৩০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংস্কার প্রশ্নে সরকার-বিরোধী দলের দূরত্ব আরও স্পষ্ট সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১৬:২০ অপরাহ্ণ
সংস্কার প্রশ্নে সরকার-বিরোধী দলের দূরত্ব আরও স্পষ্ট সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে
সংবাদটি শেয়ার করুন....

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সংস্কার বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের রাজনৈতিক দূরত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে। ৯ কার্যদিবসের এই অধিবেশনে ছয়টি বিল পাস হলেও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধসহ সংস্কারসংশ্লিষ্ট আইন, সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদ বণ্টন এবং আইন প্রণয়নে তাড়াহুড়া নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ভিন্নমত প্রকাশ ও পরমতসহিষ্ণুতার ঘাটতির বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পর গঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ভিত্তি হিসেবে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন। তবে সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তৈরি করা বিভিন্ন সংস্কার প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে।

২৭ আগস্ট শুরু হয়ে ১০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া তৃতীয় অধিবেশন চলে ৯ কার্যদিবস। এ সময়ে মোট ছয়টি বিল পাস হয়েছে। বিভিন্ন বিধিতে সংসদ সদস্যরা ১৫০টির বেশি নোটিশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী ১৫টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের জন্য দেওয়া ২ হাজার ৬৭৬টি প্রশ্নের মধ্যে ১ হাজার ৬৭৮টির উত্তর দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৫০টি সংসদীয় কমিটির মধ্যে ৩৫টি এই অধিবেশনে গঠিত হয়েছে।

এই অধিবেশনে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মূল বিরোধ দেখা দেয় জুলাই সনদের প্রস্তাব অনুযায়ী সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদ বণ্টন এবং সংস্কারসংশ্লিষ্ট তিনটি বিল পাসের প্রশ্নে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সংবিধান সংস্কারের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের জন্য বেশ কিছু আইনি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সে সময় ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়। বর্তমান সংসদের প্রথম অধিবেশনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১৬টি অধ্যাদেশ বিল আকারে আনা হয়নি। ফলে সেগুলো কার্যকারিতা হারায়। আরও সাতটি অধ্যাদেশ রহিতকরণ বিলের মাধ্যমে বাতিল করা হয়।

এসব অধ্যাদেশের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ ও আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, গুম প্রতিরোধ, দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশ কমিশন এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন–সংক্রান্ত অধ্যাদেশও ছিল।

প্রথম অধিবেশন শেষে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, বাদ পড়া বিষয়গুলো নিয়ে আরও শক্তিশালী বিল পরবর্তী সময়ে আনা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় তৃতীয় অধিবেশনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম প্রতিরোধে নতুন দুটি বিল পাস করা হয়।

তবে বিরোধী দলের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার অধ্যাদেশের তুলনায় বিল দুটি দুর্বল করে আনা হয়েছে। এ দুটি বিল পাসের কোনো পর্যায়েই বিরোধী দল অংশ নেয়নি। বিল উত্থাপনের প্রতিবাদে তারা সংসদ থেকে ওয়াকআউটও করে। যদিও সরকারের দাবি, আগের তুলনায় আরও শক্তিশালী করেই বিল দুটি আনা হয়েছে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের অধ্যাদেশে শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধান ও তদন্তের ক্ষমতা কমিশনকে দেওয়া হয়েছিল। নতুন আইনে কমিশন সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কাছে প্রতিবেদন চাইতে পারবে।

গুমের অভিযোগ তদন্তের দায়িত্বও পরিবর্তন করা হয়েছে। আগের অধ্যাদেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে এই তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হলেও নতুন গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে তদন্ত করবে শৃঙ্খলা বাহিনী। তবে কোনো শৃঙ্খলা বাহিনী বা তার সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট বাহিনী সেই অভিযোগ তদন্ত করতে পারবে না।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনের জন্য বাছাই কমিটির প্রক্রিয়া এবং শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা নিয়েও সমালোচনা হয়েছে।

এ ছাড়া র‍্যাব বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ গঠনের বিল নিয়েও বিতর্ক হয়েছে। বিরোধী দলের অভিযোগ, নাম পরিবর্তন হলেও র‍্যাবের জনবল, সম্পদ, ক্ষমতা ও কাঠামো নতুন বাহিনীতে চলে যাচ্ছে। তাদের দাবি, এটি কেবল ‘সাইনবোর্ড’ পরিবর্তন।

জুলাই সনদ অনুসারে হয়নি পদ বণ্টন

তৃতীয় অধিবেশনের অন্যতম বড় রাজনৈতিক বিরোধ ছিল সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদ নিয়ে। জুলাই জাতীয় সনদের প্রস্তাব অনুযায়ী সরকারি হিসাব, বিশেষ অধিকার, অনুমিত হিসাব ও সরকারি প্রতিষ্ঠান–সংক্রান্ত কমিটির সভাপতি বিরোধী দল থেকে করার কথা। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সংসদে আসনের সংখ্যানুপাতে বিরোধী দলের মধ্য থেকে নির্বাচনের প্রস্তাব রয়েছে।

বিএনপি এই প্রস্তাবে একমত ছিল। সংসদে বিরোধী দলের আসন প্রায় ২৬ শতাংশ। জুলাই সনদের প্রস্তাব অনুযায়ী ৩৯টি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির মধ্যে ১০টিসহ মোট ১৪টি সভাপতি পদ বিরোধী দলের পাওয়ার কথা। কিন্তু তারা পেয়েছে মাত্র একটি।

এ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক হয়েছে। সরকারি দল বলেছে, বিরোধী দল সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিতে প্রতিনিধি দিলে জুলাই সনদ অনুযায়ী সভাপতি পদ দিতে তাদের আপত্তি নেই। অন্যথায় জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

বিরোধী দল এই শর্ত প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা জানিয়েছে, তারা সংবিধান সংশোধনের নয়, সংস্কারের পক্ষে।

দ্বিতীয় অধিবেশনে ১৩ জুলাই সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তৃতীয় অধিবেশনেও বিরোধী দল ওই কমিটিতে কোনো প্রতিনিধি দেয়নি।

এ কারণে প্রশ্ন উঠেছে, সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে সংসদ শেষ পর্যন্ত কতটা ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারবে। কারণ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বা সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি শুধু আইন পাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে ক্ষমতার কাঠামো, প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা, বিরোধী দলের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ সংসদীয় ব্যবস্থার মতো মৌলিক বিষয় জড়িত।

এসব বিষয়ে সংসদ সমঝোতা ও যুক্তিনির্ভর বিতর্কের জায়গা হয়ে উঠতে না পারলে সংস্কারের রাজনৈতিক বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।

সংসদীয় কমিটি নিয়েও প্রশ্ন

জুলাই সনদ অনুযায়ী ৫০টি কমিটির পদ বণ্টন না হওয়ায় অধিবেশনের শেষ দিনেও বিরোধী দলের অসন্তোষ ছিল। অন্যদিকে কিছু সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা, চিফ হুইপ ও হুইপদের সভাপতি করা হয়েছে। নিজের মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটি নয়, এমন কমিতেও প্রতিমন্ত্রীকে সদস্য করা হয়েছে।

কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী, এভাবে কমিটি গঠনে বাধা নেই। তবে সংসদীয় কমিটির অন্যতম প্রধান দায়িত্ব নির্বাহী বিভাগকে জবাবদিহির মধ্যে রাখা। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদও এভাবে কমিটি গঠন নিয়ে দুই দফা প্রশ্ন তুলেছেন।

তাঁর বক্তব্য, নির্বাহী বিভাগ জবাবদিহি করবে আইনসভার কাছে। নির্বাহী বিভাগের কেউ যদি নিজেই কমিটির সভাপতি হন, তাহলে তিনি কার কাছে জবাবদিহি করবেন—এ প্রশ্নের বিষয়টি সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল চেতনার আলোকে দেখা উচিত।

আইন প্রণয়নে তাড়াহুড়া

চলতি সংসদের প্রথম অধিবেশনে ৯১টি বিল পাস হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের অধ্যাদেশ অনুমোদনের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা থাকায় তখন বিল পাসে তাড়াহুড়া হয়েছিল। তবে তৃতীয় অধিবেশনেও একই ধরনের তাড়াহুড়া দেখা গেছে, যদিও এবার সময়সীমার বাধ্যবাধকতা ছিল না।

৯ কার্যদিবসের অধিবেশনে ছয়টি বিল উত্থাপন করে পাস করা হয়েছে। মন্ত্রীরা সময়স্বল্পতাকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এসআরবি বিল ছাড়া অন্য বিলগুলোর সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য দুই দিন করে সময় দেওয়া হয়। বিরোধী দলের দাবির পর এসআরবি বিলের ক্ষেত্রে সময় দেওয়া হয়েছিল চার দিন। তবে সংসদীয় কমিটিগুলোও প্রতিটি বিল নিয়ে একটি করে বৈঠক করেছে।

কোনো কোনো বিল বিধি অনুযায়ী সংসদে উত্থাপনের তিন দিন আগে সদস্যদের হাতে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এ বিষয়ে নির্বাহী বিভাগের সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর যত দ্রুত সম্ভব বিল আইনসভায় পাঠানো উচিত, যাতে সংসদ সদস্যরা আইনটি ভালোভাবে পড়ে আসতে পারেন। এর কিছুটা ব্যত্যয় হচ্ছে বলেও তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।

পরমতসহিষ্ণুতার ঘাটতি

অধিবেশনের প্রথম দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলের সদস্যরা ব্যাপক হইচই করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বক্তব্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ার পরও বিরোধী দলের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকে। একপর্যায়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

অধিবেশনের শেষের দিকে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্য ঘিরে সরকারি দলের সদস্যদের হট্টগোলও ভিন্নমত প্রকাশ ও তা সহ্য করার সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে বক্তব্য দেওয়ার সময় সরকারি দলের সদস্যরা প্রতিবাদ করেন। একপর্যায়ে রুমিন ফারহানার উদ্দেশে অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগও ওঠে। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল তখন বলেন, একজন সদস্যের বক্তব্যে বাধা দেওয়া গণতান্ত্রিক রীতিনীতির বাইরে।

জনস্বার্থের আলোচনাও হয়েছে

তৃতীয় অধিবেশনকে শুধু রাজনৈতিক সংঘাতের অধিবেশন হিসেবে দেখলে পুরো চিত্র পাওয়া যাবে না। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট এবং সারসংকটের মতো জনস্বার্থের বিষয়েও নোটিশ দিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক হয়েছে।

জ্বালানি সংকটের জন্য সরকার অতীতের ভুল নীতি, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে সমাধানের পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরেছে। সারসংকট নিয়ে সরকার পর্যাপ্ত মজুতের কথা বলেছে। অন্যদিকে বিরোধী দল বলেছে, কৃষকের কাছে সার না পৌঁছানোর মাধ্যমে সরকারের বিতরণব্যবস্থার ব্যর্থতা প্রকাশ পেয়েছে।

সব মিলিয়ে তৃতীয় অধিবেশন কার্যক্রমের দিক থেকে সক্রিয় ছিল। আইন পাস হয়েছে, সংসদীয় কমিটি গঠিত হয়েছে এবং জনস্বার্থের বিভিন্ন বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে সংস্কারসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ আইন, সংসদীয় কমিটির নেতৃত্ব এবং ভিন্নমত প্রকাশের ক্ষেত্রে সরকার ও বিরোধী দলের দূরত্ব স্পষ্ট হয়েছে।

সাবেক জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যাদেশ জারি হয়েছিল। বর্তমান সরকার এসব বিষয়ে আরও ভালো আইন করবে বলে সেগুলো অনুমোদন দেয়নি। কিন্তু জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম প্রতিরোধ আইন করতে এই অধিবেশনে যে ধরনের বিল পাস করা হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে সরকার অনেক ক্ষেত্রে উল্টো পথে হাঁটছে।

সুপ্রিম কোর্ট–সংক্রান্ত কোনো বিলও এই অধিবেশনে আনা হয়নি। সামনে হয়তো আনা হবে। তবে এখন পর্যন্ত সংস্কার প্রশ্নে সরকারের কার্যক্রম হতাশাজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আরো পড়ুন

দৈনিক ভোর
×
Loading...