• ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাঁচামাল ছাড়ে রাত ৮টার পর নিষেধাজ্ঞা, বেনাপোলে পচছে আমদানি পণ্য: ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত জুলাই ৩০, ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ণ
কাঁচামাল ছাড়ে রাত ৮টার পর নিষেধাজ্ঞা, বেনাপোলে পচছে আমদানি পণ্য: ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা
সংবাদটি শেয়ার করুন....

বেনাপোল স্থলবন্দরে রাত ৮টার পর আমদানি করা কাঁচামাল ছাড় কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন আমদানিকারকেরা। সময়মতো খালাস না হওয়ায় পচনশীল পণ্য নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁরা আগের মতো ২৪ ঘণ্টা কাঁচামাল ছাড়ের সুবিধা চালুর দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বেনাপোল কাস্টমসের আমদানি কাঁচামাল মাঠে গিয়ে দেখা যায়, এনপি ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের আমদানি করা কাঁচা খেজুরের একটি চালান ২৭ জুলাই সন্ধ্যার আগে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ এজেন্ট রাইত এন্টারপ্রাইজ ওই দিন রাতে চালানটি কাস্টমস থেকে ছাড় করাতে পারেনি। পরদিন খালাসের সময় দেখা যায়, দীর্ঘ সময় আটকে থাকায় চালানটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশের বেশি কাঁচা খেজুর পচে নষ্ট হয়ে গেছে।

আমদানিকারক রয়েল হোসেন বলেন, “প্রায় দুই মাস ধরে রাত ৮টার পর কাঁচামাল ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। ফলে সন্ধ্যার পর বন্দরে আসা ট্রাকগুলো পরদিন পর্যন্ত আটকে থাকছে। এতে পণ্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি আমাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “ব্যবসার স্বার্থে সব ধরনের জটিলতা দূর করে আগের মতো ২৪ ঘণ্টা কাঁচামাল ছাড়ের ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছি।”

ব্যবসায়ীরা জানান, বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ ফলমূল, কাঁচা খেজুর, শাকসবজি ও অন্যান্য পচনশীল পণ্য আমদানি করা হয়। এসব পণ্য দ্রুত খালাস না হলে একদিকে যেমন আমদানিকারকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হন, অন্যদিকে বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থায়ও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

তাঁদের দাবি, পচনশীল পণ্যের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়ে ২৪ ঘণ্টা কাঁচামাল ছাড় কার্যক্রম চালু করা হলে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি কমবে এবং বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

এ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কোনো সুনির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি।