নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর দক্ষিণ খানে, গভীর রাতে বায়তুল মামুর জামে মসজিদের দ্বিতীয় তলার দেয়াল ভেঙে মসজিদের একাংশ দখলের অপচেষ্টা করেন দুর্বৃত্তরা। এ সময় এলাকাবাসী হাতেনাতে দুজনকে এই কাজ করার সময় ধরে ফেলেন। একই এলাকার রাজমিস্ত্রি হানিফ ও রিপন মসজিদের উত্তর পাশে দ্বিতীয় তলায় মসজিদের মূল দেয়াল ভাঙার কাজ করছিল। উপস্থিত এলাকাবাসী , ও আহ্বায়ক কমিটি হানিফ ও রিপনকে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানান মো: ফিরোজ মিয়া তাদেরকে এই ব্রিক ওয়াল ভাঙ্গার নির্দেশ দেন। তারা এই কাজ না করলে তাদেরকে মারধর করার ভয় ভীতি দেখান। তারা জানের ভয়ে বাধ্য হয়ে , ফিরোজ মিয়ার হুকুমে এই কাজ করছিলেন।
ঘটনা উল্লেখ্য যে, দীর্ঘদিন যাবত বাইতুল মামুর জামে মসজিদের উত্তর পাশের একাংশ নিজের বলে দাবি করিয়া দখল করার অপচেষ্টা করে আসছিলেন ওই এলাকার বাসিন্দা দানিছ মাস্টারের ছেলে মোঃ ফিরোজ মিয়া। কিন্তু এলাকাবাসীর তীব্র প্রতিবাদ, ও তৎকালীন মসজিদ কমিটির কার্যকরী হস্তক্ষেপ থাকায় কখনোই এই কাজটি তিনি করতে পারেননি। সাম্প্রতি বর্তমান মসজিদ কমিটিকে আতাত করে , মো: ফিরোজ মিয়া অবৈধ দখলের উদ্দেশ্যে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার উত্তর পাশের একাংশে নির্মাণ কাজ শুরু করেন। বেশ কয়েকদিন কাজ করার পর এলাকাবাসীর নজরে আসলে, এই অন্যায় কাজের প্রতিবাদ না করে উল্টো ফিরোজ মিয়াকে সহযোগিতা করায় সাধারণ মুসল্লী ও এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে উক্ত কমিটি ভেঙে দেন। ভেঙে দেয়া কমিটির সভাপতি, ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার ,ফখরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি ছিলেন মো: নজরুল ইসলাম। এবং বিগত ০৪/০৯/২৬ তারিখে জুম্মাবার, উপস্থিত শত শত মুসল্লিগন ও এলাকাবাসী মসজিদে উপস্থিত থেকে সকলের সাথে সমন্বয় করে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেন।
গত ১৯শে সেপ্টেম্বর গভীর রাতে ফিরোজ মিয়ার নির্দেশে তার লোকজন মসজিদের দেয়াল ভাঙ্গার সময় আহ্বায়ক কমিটির সদস্যগণ ও এলাকাবাসী হাতেনাতে ধরে ফেলেন এবং তা বন্ধ করে দেন। স্থানীয় থানা পুলিশ কে খবর দিলে দক্ষিনখানার এস, আই মো:সোহেল ও তার সঙ্গীও ফোর্স ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন, এবং এই ব্যাপারে অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। উক্ত সময় এলাকাবাসীসহ, উপস্থিত ছিলেন বাইতুল মামুর জামে মসজিদের বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির ,আহবায়ক ,মোহাম্মদ সালাউদ্দিন খান লিটন। সদস্য সচিব, শেখ মাসুম হায়দার, ব্যবসায়ী ,মোঃ মমতাজ উদ্দিন সহ আরো অনেকে। উক্ত ঘটনার পর এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।