দেশের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে বিলাসী জীবনযাপন করছেন: রিজভী
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত অক্টোবর ১৫, ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ণ
সংবাদটি শেয়ার করুন....
দেশের সম্পদ লুটপাট করে পরাজিত ফ্যাসিবাদের দোসররা বিদেশে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
বিদেশে অবস্থান করেও তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নে রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে নির্যাতনের শিকার অসহায় নেতাকর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রুহুল কবির রিজভী।
‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, পতিত সরকার চাকরি ও কৃষি উপকরণ দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিলেও সেগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন করেনি। অন্যদিকে, বিএনপি জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে।
রিজভী বলেন, রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে ত্যাগ স্বীকার করা নেতাকর্মী ও তাঁদের পরিবারের অবদান ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সহযোগিতা করা রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্বের অংশ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল। এ সময় ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফসহ স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিগত রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার বিএনপির অসহায় নেতাকর্মী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে নগদ অর্থসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা বিতরণ করা হয়। আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়ন ও স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে তাঁদের সেলাই মেশিন দেওয়া হয়। পাশাপাশি আবাসন সংকটে থাকা কয়েকটি পরিবারকে ঘর নির্মাণের জন্য সহায়তা দেওয়া হয়।
আয়োজকেরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে অনেক নেতাকর্মী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাঁদের কেউ আর্থিক সংকটে পড়েছেন, আবার কেউ স্বাভাবিক জীবনযাপনের সুযোগ হারিয়েছেন। এসব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক ও সামাজিকভাবে পুনর্বাসনের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন উপকারভোগীরা। তাঁদের ভাষ্য, আর্থিক সহযোগিতা ও সেলাই মেশিন পরিবারের দৈনন্দিন চাহিদা পূরণের পাশাপাশি নতুন করে আয়ের সুযোগ তৈরি করতে পারে। ঘর নির্মাণের সহায়তা পাওয়া পরিবারগুলোও নিরাপদ আবাসনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।