• ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৩ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি ও সম্ভাবনা শীর্ষক সেমিনার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬, ২৩:৩৬ অপরাহ্ণ
খুলনায় হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি ও সম্ভাবনা শীর্ষক সেমিনার
সংবাদটি শেয়ার করুন....
হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও করণীয় নিয়ে খুলনায় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে এ খাতের সমস্যা চিহ্নিত করে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

রোববার সকালে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাকক্ষে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জাতীয় রপ্তানি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির (এনইটিপি) আওতায় খুলনা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এ সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আরিফ হাসান।

তিনি বলেন, খুলনা অঞ্চলের মৎস্য ও পাট গুরুত্বপূর্ণ খাত। এসব খাতের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে এবং এ খাতের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক মানুষ সরাসরি সম্পৃক্ত।

মোহাম্মদ আরিফ হাসান বলেন, মৎস্য খাতকে টিকিয়ে রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ও সহানুভূতিশীল হতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এ খাতের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন। স্বাগত বক্তব্য দেন খুলনা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক (উপসচিব) জিনাত আরা আহমেদ।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক (নীতি ও পরিকল্পনা বিভাগ) আবু মোখলেছ আলমগীর হোসেন।

সেমিনারে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. তরিকুল ইসলাম জহীর ও সহসভাপতি এস কে কামরুল আলমসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য দেন।

মূল প্রবন্ধে জানানো হয়, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য খাতের ওপর ১৯ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ নির্ভরশীল। বাংলাদেশের মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি বাজার হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, কোরিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে উপস্থিতি রয়েছে।

প্রবন্ধে আরও জানানো হয়, দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) মৎস্য খাতের অবদান ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং কৃষিতে এ খাতের অবদান ২২ দশমিক ২৬ শতাংশ। দেশে মোট মৎস্য উৎপাদন ৫০ দশমিক ১৮ লাখ মেট্রিক টন এবং মাথাপিছু মাছ গ্রহণের পরিমাণ ২৪ দশমিক ৭৪ কেজি।

বিশ্বের মৎস্য উৎপাদন ও বাণিজ্য সম্পর্কেও সেমিনারে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ মৎস্য উৎপাদন শীর্ষ ১০টি দেশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

সেমিনারে মৎস্য খাতের সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানিকারক, ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক, মৎস্য খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।