বৈশাখী উৎসব ও নেটওয়ার্কিংয়ে নতুন মাত্রা: বিআরইসি’র আয়োজনে জাঁকজমকপূর্ণ নববর্ষ উদযাপন
রিয়েল এস্টেট খাতে ঐক্য, নেতৃত্ব ও প্রভাব বিস্তারে সক্রিয় ভূমিকা—বোর্ড অব ডিরেক্টরসসহ শক্তিশালী উপস্থিতি
জাহেদী আরমান
প্রকাশিত এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ২২:০২ অপরাহ্ণ
সংবাদটি শেয়ার করুন....
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে এক ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশের রিয়েল এস্টেট খাতে নতুন বার্তা দিলো বাংলাদেশ রিয়েল এস্টেট ক্লাব লিমিটেড (বিআর)। ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে আয়োজিত এই বৈশাখী উৎসব শুধু আনন্দ আয়োজনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং পেশাজীবীদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন ও ব্যবসায়িক সংযোগ বৃদ্ধির একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
১৭ এপ্রিল, শুক্রবার দপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জের, রুপগঞ্জ, পূর্বাচল ক্লাবে অনুষ্ঠিতব্য এই আয়োজনে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য রাখা হয়েছে লোকসংগীত, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং ঐতিহ্যবাহী মেজবান। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং কর্পোরেট পর্যায়ে সম্পর্কের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
এই আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে দেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানসমূহ, যার মধ্যে প্রধান স্পন্সর হিসেবে রয়েছে রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেড। এছাড়া কো-স্পন্সর হিসেবে যুক্ত হয়েছে ইউনিয়ন ডেভেলপমেন্ট, কৃষিবিদ গ্রুপ এবং ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড—যা এই আয়োজনের গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতাকে আরও উঁচুতে নিয়ে গেছে।
অন্যদিকে, ব্রেকের বোর্ড অব ডিরেক্টরসের শক্তিশালী উপস্থিতি সংগঠনটির প্রাতিষ্ঠানিক দৃঢ়তার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। সংগঠনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দীপু, এমপি। তার নেতৃত্বে অভিজ্ঞ ও পেশাদার পরিচালনা পর্ষদ রিয়েল এস্টেট খাতে একটি স্বচ্ছ, টেকসই ও উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে। এছাড়া সঞ্চালনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন এম জি আর নাসির মজুমদার। বিআরইসি কে সু-সংগঠিত ও শক্ত হাতে পরিচালনা করার পিছনে সাবেক এই প্রেসিডেন্টের অকৃত্রিম ভূমিকা রয়েছে। বিগত স্বৈরযুগে তিনি বিআরইসি কে সন্তানের মতো আগলে রেখেছিলেন।
সংগঠনটির লক্ষ্য শুধু ব্যবসায়িক উন্নয়ন নয়; বরং নীতিনির্ধারণে প্রভাব বিস্তার, মানোন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা। সদস্যদের জন্য রয়েছে বিশেষ সুবিধা—যেমন শিল্পখাতের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাথে নেটওয়ার্কিং, এক্সক্লুসিভ ইভেন্টে অংশগ্রহণ এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ।
বিআরইসি এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “এটি শুধু একটি ক্লাব নয়; এটি একটি ভিশনারি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ভবিষ্যতের রিয়েল এস্টেট খাত গড়ে ওঠে পারস্পরিক সহযোগিতা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে।”
এই আয়োজন ও সংগঠনের কার্যক্রম স্পষ্ট করে দেয়—বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট খাত শুধু নির্মাণেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি এখন একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্কভিত্তিক ইন্ডাস্ট্রিতে রূপ নিচ্ছে, যেখানে নেতৃত্ব, সম্পর্ক এবং দৃষ্টিভঙ্গিই হয়ে উঠছে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
বাংলাদেশ রিয়েল এস্টেট ক্লাব লিমিটেড (বিআরইসি) এর যাত্রা শুরু হয় ২০০৬ সালে।