• ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তারেক রহমানের পাঁচ প্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ০৩:২০ পূর্বাহ্ণ
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তারেক রহমানের পাঁচ প্রস্তাব
সংবাদটি শেয়ার করুন....
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে পাঁচ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের রোডম্যাপ প্রণয়ন, সহিংসতা বন্ধ, মানবিক সহায়তা নিশ্চিত, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়ন, সহিংসতা বন্ধ, পর্যাপ্ত ও পূর্বানুমেয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ১১ নম্বর কক্ষে রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের পার্শ্ব-অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সহ-আয়োজক ও অন্যান্য অংশীদারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা চরম বৈষম্য, নিপীড়ন ও বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছে।
প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাবের মধ্যে প্রথমটি হলো—আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অংশীজনদের রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে হবে। মিয়ানমারে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সহায়তা এবং নিজেদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান তিনি।
দ্বিতীয় প্রস্তাবে রোহিঙ্গাসহ মিয়ানমারের বেসামরিক জনগণের ওপর সব ধরনের সহিংসতা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে নিজভূমিতে রোহিঙ্গাদের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি, যাতে তারা নিরাপদে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে আস্থা ফিরে পান।
তৃতীয় প্রস্তাবে রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত ও পূর্বানুমেয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্যও আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি। রোহিঙ্গাদের প্রতি উদার আতিথেয়তার কারণে কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণের উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টিও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
চতুর্থ প্রস্তাবে টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) জবাবদিহি নিশ্চিতের প্রচেষ্টায় গাম্বিয়ার নেতৃত্বের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিচার ও তদন্ত ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে গুরুতর অপরাধের জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।
পঞ্চম প্রস্তাবে মাদকভিত্তিক অর্থনীতি, মানবপাচার, ডিজিটাল প্রতারণা, অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা ও অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৮ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। ১৯৮০-এর দশকেও কয়েক দফায় রোহিঙ্গাদের আগমন ঘটে। তৎকালীন বিভিন্ন সরকারের সময়ে কিছু রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। তবে ২০১৭ সালে মিয়ানমারে নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়।
তিনি বলেন, নয় বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। মিয়ানমারে চলমান সহিংসতার কারণে এখনো সেখান থেকে মানুষ পালিয়ে আসছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে হাজার হাজার শিশুর জন্ম হচ্ছে। ফলে দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন একটি প্রজন্ম। রোহিঙ্গা মায়েরা সন্তানদের নিরাপদ ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন, তরুণরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে বেড়ে উঠছে এবং প্রবীণরা ফেলে আসা ঘরবাড়ি ও গ্রামের স্মৃতি নিয়ে নিজভূমিতে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন।
মানবিকতার তাগিদে বাংলাদেশ সীমান্ত খুলে দিয়ে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিবিরগুলোতে খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রায় ৬ হাজার লার্নিং সেন্টারের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শিশুদের মিয়ানমারের পাঠ্যক্রম অনুযায়ী শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তাদের পুনঃএকীভূত হওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
শিবিরগুলোর বসবাসের পরিবেশ উন্নত করতে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে গেলেও এগুলো দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের জন্য আদর্শ স্থান নয় বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতির কারণে বাংলাদেশের ওপর সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ ক্রমেই বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর প্রভাব শুধু রোহিঙ্গাদের ওপরই পড়ছে না; কক্সবাজারের স্থানীয় আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীও এর তীব্র প্রভাবের মুখে পড়ছে।
দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা ও হতাশা নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ ও নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মানবপাচার, অবৈধ অভিবাসী পাচার ও মাদকপাচারসহ বিভিন্ন আন্তঃদেশীয় অপরাধের কথা তুলে ধরেন। অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে পাড়ি দিচ্ছে বলেও জানান তিনি। একটি দেশে অমীমাংসিত থাকা এই সংকট পুরো অঞ্চলের জন্য নিরাপত্তাজনিত চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
মানবিক সহায়তার ঘাটতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন বাড়ার সঙ্গে মানবিক সহায়তার জীবনরেখা সংকুচিত হচ্ছে। ২০২৫ সালের যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনায় (জেআরপি) ৯৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি সহায়তার আবেদন করা হলেও ২০২৬ সালের জন্য তা কমিয়ে প্রায় ৭১০ মিলিয়ন ডলারে নামিয়ে আনা হয়েছে। এ অর্থ দিয়ে কেবল ন্যূনতম জীবনরক্ষাকারী প্রয়োজন মেটানো সম্ভব বলে উল্লেখ করেন তিনি।
‘এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে না’ উল্লেখ করে বাংলাদেশের পাশে অব্যাহতভাবে দাঁড়ানো আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে বেশি আন্তর্জাতিক সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবিক সহায়তার উদারতা রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয়তার অজুহাত হতে পারে না। অনির্দিষ্টকালের জন্য শুধু বাংলাদেশই রোহিঙ্গাদের দায়ভার বহন করে যাবে—এটিও প্রত্যাশা করা যায় না। তাঁর মতে, রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং এর টেকসই সমাধানও মিয়ানমারেই নিহিত।
রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা এখনো নির্বিচারে আটক, চলাচলে বিধিনিষেধ, জোরপূর্বক শ্রম ও নিরাপত্তাহীনতাসহ বিভিন্ন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এবং ‘আরাকান আর্মি’ উভয়ের বিরুদ্ধেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে এখনো নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের মতো পরিবেশ তৈরি হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন শুধু সহমর্মিতা দেখানোর পরিবর্তে সংকটের মূল কারণ চিহ্নিত করে সমাধানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে। প্রতিশ্রুতি থেকে কার্যকর পদক্ষেপে এবং বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনা থেকে এই বাস্তুচ্যুতির অবসানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ চায় না রোহিঙ্গারা চিরকাল বাস্তুচ্যুত অবস্থায় থাকুক। তারা যেন নিরাপদে, স্বেচ্ছায়, মর্যাদার সঙ্গে এবং নিজেদের অধিকার সুরক্ষিত রেখে মিয়ানমারে নিজ ঘরে ফিরে যেতে পারে—বাংলাদেশ সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ চায় না রোহিঙ্গারা চিরকাল বাস্তুচ্যুত অবস্থায় থাকুক। আমরা চাই, তারা নিরাপদে, স্বেচ্ছায়, মর্যাদার সঙ্গে এবং তাদের অধিকার সুরক্ষিত রেখে মিয়ানমারে নিজ ঘরে ফিরে যাক। বাংলাদেশ মানবিকতার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করেছে। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও দৃঢ় প্রত্যয়ের সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হলে বাংলাদেশ তাদের প্রত্যাবাসনে সহায়তা করতে প্রস্তুত থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আসুন, আমরা একসঙ্গে নিশ্চিত করি—রোহিঙ্গাদের ভাগ্য যেন নিপীড়ন, বিতাড়ন ও বাস্তুচ্যুতির আরেকটি গল্প হয়ে না থাকে। বরং তা হয়ে উঠুক ন্যায়বিচার, মর্যাদা ও আশার গল্প। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—এই গল্পের সূচনা হোক এখনই।’
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, গাম্বিয়ার উপরাষ্ট্রপতি মুহাম্মদ বি. এস. জ্যালো এবং মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত জুলি বিশপ।
এ ছাড়া মূল বক্তব্য দেন জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমতা, প্রস্তুতি ও সংকট ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কমিশনার হাদজা লাহবিব, সৌদি আরবের রাজকীয় আদালতের উপদেষ্টা ও কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের সুপারভাইজার জেনারেল আবদুল্লাহ আবদুল আজিজ আল-রাবিয়াহ, যুক্তরাজ্যের আমেরিকা, বহুপক্ষীয় ও মানবাধিকার বিষয়ক মন্ত্রী ক্রিস এলমোর, তুরস্কের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বেরিস একিনচি, ওআইসির মহাসচিব ইসমাইল উলদ শেখ আহমেদ, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের রাজনৈতিক বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি অব স্টেট অ্যালিসন হুকার, থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব একসিরি পিন্টারুচি, অস্ট্রেলিয়ার প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি ডিভিশনের ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ক্রেইগ চিটিক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মো. শুহাদা ওসমান।
সহ-আয়োজক ও অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রের মন্ত্রী বা উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক কার্ল স্কও, ইউএনএফপিএর সহকারী মহাসচিব ড. ক্যাথরিনা বোয়েমে, ওএইচসিএইচআরের সহকারী মহাসচিব ক্লদিয়া ফুয়েন্তেস জুলিও এবং আইওএমের উপ-মহাপরিচালক জাস্টিস উগোচি ড্যানিয়েল।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান।

আরো পড়ুন

দৈনিক ভোর
×
Loading...