অস্ট্রেলিয়া ও চীনের সঙ্গে শিক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
শিক্ষাবৃত্তি বৃদ্ধি, এআই গবেষণা ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়ে গুরুত্বারোপ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত আগস্ট ৩, ২০২৬, ২২:১১ অপরাহ্ণ
সংবাদটি শেয়ার করুন....
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে সোমবার তার দপ্তরে অস্ট্রেলিয়া ও চীনের দুটি পৃথক প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। বৈঠকগুলোতে উচ্চশিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার সিটিজেনশিপ, কাস্টমস ও মাল্টিকালচারাল অ্যাফেয়ার্স এবং ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট মিনিস্টার জুলিয়ান হিল এমপির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে উচ্চশিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং গবেষণায় সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অস্ট্রেলীয় প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে সরকারের বিভিন্ন সংস্কার ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগের প্রশংসা করে।
শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশের শিক্ষার উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার অব্যাহত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
ড. মিলন বলেন, দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি)-এর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
পরে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে চীনের খ্যাতনামা ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট চেন ঝিমিনের নেতৃত্বে আরেকটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির ভাইস ডিন ঝাং পিং উপস্থিত ছিলেন।
চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা খাতে যৌথ উদ্যোগ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি, গবেষণায় সহযোগিতা এবং বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে অংশীদারিত্ব জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দুই দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও যৌথ গবেষণা ভবিষ্যতে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং নতুন প্রজন্মকে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতায় গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
পৃথক দুই বৈঠকেই বাংলাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে শিক্ষা খাতে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার পরিধি সম্প্রসারণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।